Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১ জুন, ২০১৬ ২৩:৩২
ভোটে হেরে রাস্তার ইট তুলে নিলেন প্রার্থী
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া
ভোটে হেরে রাস্তার ইট তুলে নিলেন প্রার্থী
বগুড়ায় ভোটে হেরে রাস্তার ইট তুলে নিয়েছেন প্রার্থী —বাংলাদেশ প্রতিদিন
bd-pratidin

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়নের কামার গ্রামের ভোটাররা ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করায় রাস্তায় ইট বিছিয়েছিলেন এক চেয়ারম্যান প্রার্থী। কিন্তু ভোটে হেরে যাওয়ায় ওই প্রার্থী দুদিনের মাথায় সেই রাস্তার ইট তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার ইউপি নির্বাচনে হেরে গিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ ফকির এ কাজটি করেছেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)    রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। আবু সাঈদ ফকির দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি সদর ইউপির মেম্বার ছিলেন। প্রায় পাঁচ মাস আগে সদর ইউপির চেয়ারম্যান মোয়াজ্জিম হোসেন গ্রেফতার হওয়ার পর আবু সাঈদ ফকির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন। মঙ্গলবার বিকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কামারগ্রামে ঢুকতেই রাস্তায় বিছানো ইট তুলে নিচ্ছে শ্রমিকরা। তুলে নেওয়া ইট ট্রাকে ভরা হচ্ছে। আমজাদ হোসেনের বাড়ি থেকে শহীদুল ইসলামের বাড়ি পর্যন্ত ইট বিছানো ছিল। ইট বিছানো রাস্তাটি প্রায় ২৫০ মিটার দৈর্ঘ্য। চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ ফকিরের কর্মী গ্রামের ভোটার আলমগীর হোসেন বলেন, সাঈদ ভাই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হওয়ার পরই নিজের টাকা দিয়ে ইট বিছিয়ে দেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা। গ্রামে ৯৫৯ জন ভোটার আছে।

এত বড় একটা উপকার করার জন্য ভোটারদের উচিত ছিল তাকে ভোট দেওয়া। কিন্তু গ্রামের লোকজন ভোট না দেওয়ায় আমরা নিজ থেকেই ইট তুলে দিচ্ছি তাকে। তার সঙ্গে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

দুপচাঁচিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহেদ পারভেজ বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য বলা হয়েছে। ওই রাস্তায় নতুন করে বিছানো ইট সরকারি অর্থের নয়। সরকারি রাস্তায় ইট বিছানোর পর তা তুলে নেওয়া যাবে কী না এমন প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, রাস্তায় ইট তুলে নেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’

এই পাতার আরো খবর
up-arrow