Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ৩ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২ জুন, ২০১৬ ২৩:৫৬
চোরাকারবারিদের যমদূত ৯৭ জন নারী সৈনিক
আনিস রহমান
চোরাকারবারিদের যমদূত ৯৭ জন নারী সৈনিক
কঠোর প্রশিক্ষণে অংশ নেন বিজিবির নারী সদস্যরা —বাংলাদেশ প্রতিদিন

সীমান্তে নারী চোরাকারবারি ও অবৈধ মাদক ব্যবসায়ীদের যমদূত হিসেবে হাজির হচ্ছেন ৯৭ জন নারী। সন্দেহভাজন চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ীদের দেহ তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তারা। নিয়োগের পর টানা ছয় মাস প্রশিক্ষণ শেষে তারা এখন প্রস্তুত চ্যালেঞ্জিং এই পেশায় নিজেদের নিয়োজিত করতে। বিজিবি সূত্র জানায়, অন্যান্য বাহিনীর মতো এবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) প্রথম বারের মতো যুক্ত হচ্ছেন ৯৭ জন নারী সৈনিক। ইতিমধ্যে তাদের নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। আগামী রবিবার চট্টগ্রামের বিজিবির ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড স্কুল বাইতুল ইজ্জতে প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কাজে যোগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী উদ্যোগ ও দিক নির্দেশনায় কর্মক্ষেত্রে নানা পেশায় পুরুষের পাশাপাশি নারীর অংশগ্রহণ ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত বছর প্রথমবারের মতো বিজিবিতে নারী সৈনিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নারী সদস্যদের টেকনাফ ও বেনাপোল আইসিপিসহ ঢাকা বিজিবি হাসপাতালে নিয়োজিত করা হবে। পাশাপাশি সদর দফতরেও দায়িত্ব পালন করবেন। এরা আইসিপি ও টেকনাফ চেকপোস্টগুলোতে সন্দেহভাজন মহিলা পাচারকারী, মাদক ব্যবসায়ীদের তল্লাশি চালাবে। এজন্য ১০০ নারী সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তার মধ্যে ৩ জন প্রশিক্ষণে বাদ পড়েন। আর বাকি ৯৭ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ওই ৯৭ জনের পর আরও ১০০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী মাস থেকে তাদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে যেসব এলাকায় নারীরা চোরাচালানে যুক্ত হয় যেমন : টেকনাফ, বেনাপোল, এসব জায়গায় ১৫ জন করে নারী সেনাকে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিজিবির পাঁচটি হাসপাতালে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে। শিগগিরই পিলখানায়ও নারী সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখতে পাওয়া যাবে বলে জানান মহাপরিচালক।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow