Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ১৮ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৭ জুন, ২০১৬ ২৩:২৪
ট্রানজিটের প্রথম চালান আগরতলা যেতে পারেনি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

উদ্বোধনের পরও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে ট্রানজিটের প্রথম চালান আগরতলায় যেতে পারেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোমবার প্রথম চালান ভারতের আগরতলা পৌঁছতে পারে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রানজিটের মাল পরিবহনের উদ্বোধন করা হলেও কাগজপত্রের প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকা, ট্রাক জটিলতা ও গতকাল শুক্রবার হওয়ায় পরিবহন যাত্রা হয়নি বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। আশুগঞ্জ নৌবন্দরের বিআইডব্লিউটিএর পরিদর্শক মো. শাহআলম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে মাশুলসহ প্রথম ট্রানজিটের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে একটি আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলো। শনিবার কাস্টমস খোলা থাকলেও সব প্রক্রিয়া শেষ না হলে মাল পৌঁছানো সম্ভব হবে না। পরদিন রবিবার ভারতে সরকারি ছুটি তারা যদি মাল না নিতে চান তাহলে সোমবার পরিবহন করা হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নৌবন্দরের ওয়্যারহাউসে আয়োজিত ভারত-বাংলাদেশ নৌ-প্রটোকলের (পিআইডব্লিউটিটি) আওতায় ট্রান্সশিপমেন্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। এর আগে বুধবার বিকালে ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির আওতায় ভারতীয় এক হাজার চার মেট্রিক টন লৌহজাত পণ্যবাহী এমভি নিউটেক-৬ জাহাজটি আশুগঞ্জ নৌবন্দরে নোঙর করে। আশুগঞ্জ নৌবন্দর ও আখাউড়া স্থলবন্দর ব্যবহার করে খোলা ট্রাকে করে এ মালামাল পরিবহন হওয়ার কথা রয়েছে। ভারতীয় এই পণ্য পরিবহন করছে বাংলাদেশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আনবিজ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতীয় এসব পণ্য পরিবহনে প্রতি টনে ১৯২ টাকা ২২ পয়সা হারে মাশুল আদায় করা হবে। এ ছাড়া ভয়েজ পারমিশন ফি, পাইলট ফি, বার্দিং (অবস্থান) ফি, ল্যান্ডিং ফি, চ্যানেল চার্জ ও লেবার হোলিং চার্জসহ জাহাজটি থেকে বাংলাদেশ পাবে ২ লাখ ৯৫ হাজার ৩৬৫ টাকা। এর আগে দুই দফায় বিনা মাশুলে বিশেষ মানবিক কারণ দেখিয়ে ভারতের পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারী যন্ত্রাংশ, কেমিক্যাল পদার্থ ও খাদ্যপণ্য চাল ত্রিপুরা রাজ্যে ট্রান্সশিপমেন্ট করা হয়েছে। এবারই প্রথম মাশুল দিয়ে এক হাজার চার মেট্রিক টন স্টিল শিট ও রড আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আগরতলায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

up-arrow