Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২০ জুন, ২০১৬ ২৩:২৯
ঈদেই ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে নতুন ট্রেন
সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম
ঈদেই ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে নতুন ট্রেন

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রেলওয়ের ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বিরতিহীন নতুন ট্রেন সার্ভিস চালু হচ্ছে। ‘সুবর্ণা’ এক্সপ্রেস ট্রেনের আদলে চলাচল করবে এই ট্রেন।

এর বগিগুলো লাল-সবুজ রং শোভিত। চলতি সপ্তাহের যে কোনো সময় এই ট্রেনটির উদ্বোধন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৭৭০ আসনবিশিষ্ট এই ট্রেন শনিবার ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা এবং সকাল ৭টায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। ১৬টি কোচের মধ্যে থাকবে ৭টি নন এসি, ৬টি এসি, ২টি বার্থ কোচ, ১টি পাওয়ার কার ও দুটি খাবারের গাড়ি। নন এসি কোচের প্রতিটিতে ৬০, এসি কোচের প্রতিটিতে ৫৫ এবং বার্থ কোচে ২০টি করে আসন রয়েছে বলে রেল সূত্রে জানা গেছে। ট্রেনের নাম হতে পারে বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেস। এ ছাড়া আরও ৮টি নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মতি নিয়ে লাল-সবুজের এই ট্রেনের নাম ও উদ্বোধনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করবে রেলওয়ে। উদ্বোধনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নতুন ট্রেনের পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে নিয়মিত চলছে সুবর্ণা এক্সপ্রেস, মহানগর প্রভাতী, চট্টলা, মহানগর গোধূলি ও তূর্ণা নিশীথা ট্রেন। এর পাশাপাশি রয়েছে ঢাকা মেইল ও কর্ণফুলী এক্সপ্রেস। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) প্রকৌশলী মো. আবদুল হাই বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা যাতে স্বচ্ছন্দে বাড়ি ফিরতে পারেন এবার সেজন্য অন্য ট্রেনের পাশাপাশি সুবর্ণার আদলে যুক্ত হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা এই ট্রেন। ট্রেনের নাম চূড়ান্ত করে যে কোনো সময় উদ্বোধন করা হবে। চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম) সরদার শাহদাত আলী বলেন, অন্য ট্রেনের মতো এই নতুন ট্রেনটির সেবা ও যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিরতিহীন ট্রেনে খাবারের মানও ঠিকমতো রাখার জন্য কঠোর নজরদারি থাকবে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, কোচ সংকট মোকাবিলায় ইন্দোনেশিয়া থেকে ১০০ কোচ আমদানি করছে রেলওয়ে, যার মধ্যে ৩৭টি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। প্রথম চালানের ১৫টি কোচের পরীক্ষা ও ট্রায়াল রান এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ১১ জুন রেলভবনে অনুষ্ঠিত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গঠিত অগ্রিম পরিকল্পনার বৈঠকে ট্রেনটির জন্য ৭টি নাম প্রস্তাব করা হয়। নামগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতা এক্সপ্রেস, বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেস, দ্বিতীয় সুবর্ণা এক্সপ্রেস, সাগর এক্সপ্রেস, বে এক্সপ্রেস, রাজধানী এক্সপ্রেস ও ক্যাপিটাল এক্সপ্রেস। এ ছাড়া আরও ২টি নাম প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে নীলগিরি ও বেলাভূমি। বিরতি দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিমানবন্দর। বেইজ স্টেশন দেওয়া হয়েছে ঢাকা। সাপ্তাহিক বন্ধের দিন শনিবার। ১৬টি কোচ নিয়ে গঠিত নতুন ট্রেনটি শনিবার ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে ঢাকায় ১০টা ৪০ মিনিটে পৌঁছবে এবং সকাল ৭টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে চট্টগ্রামে পৌঁছবে ১২টা ৪০ মিনিটে। ১৬টি কোচ ট্রায়াল শেষ করে চালুর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে থাকবে ৭টি নন এসি কোচ, ৬টি এসি কোচ, ২টি বার্থ, ১টি পাওয়ার কার ও ২টি খাবারের গাড়ি। নন এসি কোচের প্রতিটিতে ৬০, এসি কোচের প্রতিটিতে ৫৫ এবং বার্থ কোচে আসন ২০টি। উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা ১৫০টি কোচের মধ্যে ১০০টি থাকবে পূর্বাঞ্চলে ও বাকি ৫০টি পাঠিয়ে দেওয়া হবে পশ্চিমাঞ্চল জোনে। এর মধ্যে দুই ধাপে ৩৭টি কোচ এসেছে। অন্যদিকে ভারত থেকে ব্রড-গেজের ১২০টি কোচ এসেছে। এ কোচগুলো পশ্চিমাঞ্চলে চলাচল করবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow