Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ২০ জুন, ২০১৬ ২৩:২৯
মন্ত্রিসভার বৈঠক
রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইনের খসড়া অনুমোদন
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইমারত নির্মাণে অনিয়মের আশ্রয় নিলে ও জলাশয় ভরাট করলে জেল-জরিমানার বিধান রেখে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানান। তিনি জানান, বর্তমান রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) ১৯৭৬ সালের ‘রাজশাহী টাউন ডেভেলপমেন্ট অর্ডিনেন্স’ অনুযায়ী চলছিল। সামরিক শাসনামলে জারিকৃত এ অধ্যাদেশ উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় বাতিল হওয়ায় এখন সেটিকে আইনে পরিণত করা হয়েছে। এ আইন হলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আদলে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নতুন আইনে একটা কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে একজন চেয়ারম্যান ও চারজন সার্বক্ষণিক সদস্য থাকবেন। ১৫ সদস্যের কমিটিতে থাকবেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় মনোনীত জাতীয় গৃহায়ণ অধিদফতরের প্রতিনিধি, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও পরিকল্পনা বিভাগের প্রধান ও স্থাপত্য অধিদফতরের প্রতিনিধি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ভূমির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, রাজশাহী শহরের জন্য মহাপরিকল্পনা গ্রহণ ও সে অনুযায়ী কাজ করা হবে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মূল দায়িত্ব। একটা পরিকল্পিত নগর তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে। আইনে কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে যা ভঙ্গ করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

শফিউল আলম বলেন, কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া কেউ কোনো ইমারত নির্মাণ বা পুকুর খনন করতে পারবে না। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ, যে কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে কোনো নির্মাণ বা পুকুর খননের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে, অনুমতি ছাড়া নির্মাণ করা যাবে না। কেউ নিচু জমি বা জলাশয় ভরাট করতে পারবে না, কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। আইনের লঙ্ঘন করলে অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা এক বছর কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।




এই পাতার আরো খবর
up-arrow