Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২০ জুন, ২০১৬ ২৩:৩২
আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা
১১ জনের খালাসের বিরুদ্ধে আপিল
নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় ১১ আসামিকে খালাসের হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। গতকাল আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাষ্ট্রপক্ষ এ আবেদন করে। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানিয়েছেন, আজ মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে। হাইকোর্টে খালাস পাওয়া ১১ জন হলেন—আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল (পলাতক), লোকমান হোসেন ওরফে বুলু, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির (পলাতক), খোকন (পলাতক), দুলাল মিয়া, রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, আইয়ুব আলী, জাহাঙ্গীর ও মনির। এদের মধ্যে আমির হোসেন, বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল, লোকমান, রনি, খোকন, দুলাল নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন। আর রাকিব, আইয়ুব, জাহাঙ্গীর ও মনিরকে বিচারিক আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। ১৫ জুন হাইকোর্ট এই ১১ জনকে খালাস দেন। গতকাল রাষ্ট্রপক্ষ সেই রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করল। ২০০৪ সালে জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি আহসানউল্লাহ মাস্টারকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ মামলায় নিম্ন আদালতে ফাঁসির আদেশ পাওয়া ২২ জনের মধ্যে হাইকোর্টে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, সাতজনকে সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন ও সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়। দুই আসামির মৃত্যু হওয়ায় তাদের মামলার নিষ্পত্তি হয়ে যায়। বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামির মধ্যে একজনের দণ্ড বহাল, চারজন খালাস পেয়েছেন। অন্য একজন আপিল না করায় তার দণ্ডও বহাল রয়েছে। বিচারিক আদালত থেকেই খালাস পান দুই আসামি কবির হোসেন ও আবু হায়দার ওরফে মিরপুইর‌্যা বাবু। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় ২০০৪ সালের ৭ মে টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠের এক সমাবেশে আহসানউল্লাহ মাস্টারকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় পরদিন ৮ মে নিহতের ভাই মতিউর রহমান টঙ্গী থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় ২০০৪ সালের ১০ জুলাই অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। বিচার শেষে ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন রায়ে ৩০ আসামির মধ্যে বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া দুজনকে খালাস দেওয়া হয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow