Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৬ জুন, ২০১৬ ২২:৫৩
কয়েক ঘণ্টায় শেষ রেলের টিকিট
৪র্থ দিনে কমলাপুরে উপচে পড়া ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদক
কয়েক ঘণ্টায় শেষ রেলের টিকিট

ঈদ যাত্রায় রেলে অগ্রিম টিকিট বিক্রির চতুর্থ দিনে গতকাল কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। সাহরির পর থেকেই শুরু হয় টিকিট প্রত্যাশীদের দীর্ঘ লাইন।

সকাল ৮টায় বিক্রি শুরু হলেও হাজারো মানুষের ঢলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায় টিকিট।

৪ জুলাইয়ের আগাম টিকিট না পেয়ে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ফিরে গেছেন অনেকে। যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন আর উপচে পড়া ভিড়ের মাঝে কালোবাজারি এবং দালালির অভিযোগে তিনজনকে আটক করে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাব-১ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফিরোজ আহমেদ। কমলাপুর রেলস্টেশনের নিরাপত্তা কর্মীরা জানান, ভোর থেকেই শুরু হয় রেলপথে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার জন্য টিকিট প্রত্যাশীদের লম্বা লাইন। অনেকে গভীর রাত থেকে টিকিটের জন্য অবস্থান নিলেও সাহরির পর থেকে স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। এ অবস্থায় অনেকে এখানকার হোটেলে ইফতার ও সাহরি করেছেন। কেউ কেউ ছেলে-মেয়েদের এনে পালাবদল করে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। ধাক্কাধাক্কি আর কষ্ট করে লাইনে থেকেও উত্তরাঞ্চলের অনেক মানুষ টিকিট না পেয়ে ফিরেও গেছেন।

  দেখা গেছে, গত শনিবার ইফতারের পর থেকেই ৪ জুলাইয়ের টিকিট পেতে স্টেশনের কাউন্টারগুলোর সামনে পেপার বিছিয়ে বসে ছিলেন টিকিট প্রত্যাশীরা। ছিল দলে দলে আড্ডা। কেউ বসে কেউবা দাঁড়িয়ে সময় কাটিয়েছেন। আবার এদের অনেকে কার্ড খেলে সময় কাটিয়ে টিকিটের জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনেছেন। অপেক্ষায় ক্লান্ত হয়ে কেউ ঘুমিয়েছিলেন সাহরি পর্যন্ত। পার্বতীপুরের বাসিন্দা সজল, থাকেন ঢাকায়, পড়াশোনা করেন একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও পাননি ঈদের প্রত্যাশিত টিকিট। পরে স্পেশাল ট্রেনের চারটি শোভন টিকিট কিনে সান্ত্বনা দিয়েছেন মনকে। একই লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো টিকিট না পেয়ে ফিরে গেছেন মহিউদ্দিন নামে এক টিকিট প্রত্যাশী। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লিটন নামের আরেক টিকিট প্রত্যাশী জানালেন তার কষ্টের অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, সমস্যার শেষ নেই। গতকাল (শনিবার) থেকে লাইনে আছি। এত লোকের ভিড়ে ধাক্কাধাক্কি-ঠেলাঠেলিতে যদি টিকিট পাই- তাহলে সব কষ্ট শেষ হয়ে যাবে। উপচে পড়া ভিড়ে না ঘুমিয়ে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে যারা টিকিট পেয়েছেন, তাদের মাঝে ছিল সোনার হরিণ পাওয়ার উচ্ছ্বাস।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow