Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ২ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২ জুলাই, ২০১৬ ০০:২৪
ভর্তির বাইরে প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষার্থী
আকতারুজ্জামান

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করে প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির সুযোগ পাননি। মেধাতালিকা ও অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১০ লাখ ৭৭ হাজার ৮১৫ জন ছাত্রছাত্রী কলেজে ভর্তির জন্য নিশ্চায়ন করেছেন বলে জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট মো. মন্জুরুল কবীর।

আর ভর্তির জন্য অনলাইন ও মোবাইলে আবেদন করেছিলেন মোট ১৩ লাখ এক হাজার ৯৯ জন ছাত্রছাত্রী। ভর্তির সুযোগ না পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের জন্য ১০ জুলাই থেকে ভর্তি উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা ভাবছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। ২০১৬ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৬০৫ জন। সে হিসেবে আবেদনের বাইরেই থেকে যায় মোট এক লাখ ৫১ হাজার ৫০৬ জন। সব মিলিয়ে প্রায় চার লাখ শিক্ষার্থী উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ভর্তি হবেন।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি বাণিজ্যের পথ প্রশস্ত হবে। বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষরাও এমন আশঙ্কা করছেন। সূত্রমতে, গত বছর একাদশে ভর্তিতে আবেদন ও ফল প্রকাশ ছিল অনলাইনে। প্রথম ধাপে প্রকাশিত মেধাতালিকায় স্থান না পাওয়া প্রার্থীরা দ্বিতীয় দফায় অনলাইনে কলেজ সিলেকশন দিয়ে আবেদন করেছিলেন। দ্বিতীয় ধাপের মেধাতালিকায় স্থান না পেয়ে ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনে তৃতীয় দফায় আবেদন করেছিলেন। এ পদ্ধতিতে কলেজে ভর্তিতে ছাত্রছাত্রীদের একটু বিলম্ব হলেও তুলনামূলক ভর্তি বাণিজ্য কম হয়েছে। অভিভাবকদের ভোগান্তি কমছিল। ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি এড়াতে ইন্টারনেটে আবেদনের পাশাপাশি মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে ১০টি করে মোট ২০টি কলেজে আবেদনের অপশন রাখা ছিল। এতেই বেধেছে বিপত্তি। যেসব ছাত্রছাত্রী ভর্তির জন্য কলেজ মনোনয়ন পেয়েছেন তারা তিনটি বা তারও বেশি কলেজ পেয়েছেন। আর যারা পাননি তারা থেকে গেছেন অপেক্ষমাণ তালিকায়। ভর্তিচ্ছু ও তাদের অভিভাবকরা বলছেন, অপেক্ষমাণ তালিকার ফল প্রকাশ না করে গত বছরের মতো পুনরায় মেধাতালিকা প্রকাশ করা হলে ভোগান্তি কমত। এমন কথা বলেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমানও। গতকাল তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সময়ের স্বল্পতায় একবারের বেশি মেধাতালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হয়েছিল ঈদের আগে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, ১০ জুলাই ভর্তি পদ্ধতি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হতে পারে। তবে এ ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রীর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে ১০ জুলাই।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow