Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : শনিবার, ২ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২ জুলাই, ২০১৬ ০০:৫৮
ঈদ সামনে রেখে নতুন সাজে কুয়াকাটা
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
ঈদ সামনে রেখে নতুন সাজে কুয়াকাটা

পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটাকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে নতুন সাজে। ঈদকে টার্গেট করে হোটেল মোটেল কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও নৌ-পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী মহল সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে দীর্ঘ ৯ দিনের লম্বা ছুটির ফাঁদে পড়বেন কর্মজীবী মানুষ। এ অবস্থায় তারা বিনোদনের জন্য ছুটবেন পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায়। তাই সেরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পর্যটকদের বরণ করতে স্থানীয় রাখাইন মার্কেটের রাখাইন তরুণীরা বিভিন্ন সামগ্রীর পসরা নিয়ে আগেভাগেই বসে গেছেন। ট্যুরিজম ব্যবসায়ীরা পর্যটকদের সব ধরনের সেবাদানে প্রস্তুতি নিয়েছেন। সৈকতে রাখা বেঞ্চ ও ছাতায় এখন নতুনত্বের শোভা পাচ্ছে। কুয়াকাটার হোটেল মোটেলগুলোকে সাজানো হয়েছে নতুনভাবে। এ ছাড়া কুয়াকাটার দর্শনীয় স্থান নারিকেল কুঞ্জ, ইকোপার্ক, জাতীয় উদ্যান, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার, সীমা বৌদ্ধ বিহার, সুন্দরবনের পূর্বাঞ্চল খ্যাত ফাতরার বনাঞ্চল, গঙ্গামতি, কাউয়ারচর, লেম্বুরচর, শুঁটকিপল্লীসহ সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে মনোমুগ্ধকর সমুদ্রের বেলাভূমি, একাধিক নয়নাভিরাম লেক, সংরক্ষিত বনায়ন ও ইলিশ পার্ককেও সাজিয়ে-গুছিয়ে তোলা হয়েছে। কুয়াকাটার ইলিশ পার্কের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, আমাদের ইলিশ পার্কটি অনেক আগেই  ধোয়া-মোছা করে নতুন করে সাজানো হয়েছে। পর্যটকরা ইলিশের স্বাদ নেওয়ার জন্য আমাদের কাছে আগেভাগেই অর্ডার দিতে শুরু করেছেন। তাদের খাবারের চাহিদা মেটাতে সামুদ্রিক মাছ মজুদসহ সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির পরিচালক হোসাইন আমির জানান, পর্যটকদের সেবাদানের জন্য সৈকতের আশপাশে একাধিক ট্যুরিজম কাউন্টার রয়েছে। এ ছাড়া পর্যটকদের নৌপথে ভ্রমণের জন্য নৌতরীগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অভিজাত আবাসিক হোটেল সিকদার রির্সোট অ্যান্ড ভিলেইজের জিএম জয়নুল আবেদীন চোখাদ্দার জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরা অগ্রিম রুম বুকিংয়ের জন্য অনবরত ফোন করছেন। অনলাইলেও রুম বুকিং হচ্ছে। হোটেল বিচ-হ্যাভেনের অপারেশন ম্যানেজার শামিম রেজা রঞ্জু জানান, অগ্রিম বুকিংয়ের জন্য পর্যটকরা ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করছেন। হোটেলে পরিষ্কার-পরিছন্নতার কাজও চলছে। ঈদের লম্বা ছুটির কারণে এ বছর পর্যটকদের সংখ্যা বেশি হবে। কুয়াকাটা হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ জানান, এরই মধ্যে এখানকার অর্ধশতাধিক হোটেল মোটেলে রুম বুকিং চলছে। কুয়াকাটা পৌর মেয়র আবদুল বারেক মোল্লা জানান, পৌরসভার পক্ষ থেকে সৈকত পরিষ্কার-পরিছন্ন করা হচ্ছে। আগত পর্যটকদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় সেজন্য আমাদের সার্বক্ষণিক মনিটরিং থাকবে। এ বছর  ঈদের লম্বা ছুটিতে পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow