Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ৩ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৩ জুলাই, ২০১৬ ০০:১২
উগ্রবাদী নির্মূলে আসুন ঐক্যবদ্ধ হই : খালেদা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে তার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দুষ্কৃতকারীদের নির্মম রক্তাক্ত অভ্যুত্থান দেশে বিরাজমান দুঃশাসনেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন তিনি। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বেগম জিয়া বলেন, আসুন এই নিষ্ঠুর বিবেকবর্জিত উগ্রবাদী শক্তিকে নির্মূল করতে দলমতনির্বিশেষে সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা কাজে লাগাই। সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এখনই এই উগ্রবাদী শক্তিকে দমন করতে না পারলে, এরা দীর্ঘতম যুদ্ধ চালিয়ে দেশের জনগণের শান্তি, স্থিতি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে এবং শান্তি বজায় রাখা কঠিন হবে। শুক্রবার রাতে রাজধানীর গুলশানে একটি বিদেশি রেস্টুরেন্ট হলি আর্টিসান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার বিষয়ে গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিবৃতিটি পড়ে শোনান দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী। এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবীর খোকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। নজিরবিহীন এ সন্ত্রাসী ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘শুক্রবার রাত থেকে শুরু হয়ে আজ (শনিবার) সকাল পর্যন্ত দুষ্কৃতকারীদের সংঘটিত প্রাণবিনাশী ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি। অগণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ফলে সৃষ্ট অগণতান্ত্রিক সংস্কৃতি মিলেমিশে দেশে এমন এক রাজনৈতিক অবস্থা তৈরি হয়েছে, যা পৈশাচিক স্বৈরতন্ত্রে অধঃপতিত হয়েছে, যার বিকৃত প্রতিক্রিয়া সারা দেশে ফুটে উঠতে শুরু করেছে। দুষ্কৃতকারীদের নির্মম রক্তাক্ত অভ্যুত্থান দেশে বিরাজমান দুঃশাসনেরই বহিঃপ্রকাশ। ’

বিবৃতিতে খালেদা জিয়া জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রক্তাক্ত জিম্মি ঘটনা মোকাবিলার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

একই সঙ্গে এ ঘটনায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিহত সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে তাদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, ঝিনাইদহে শ্যামানন্দ নামে একজন সেবায়েতকে কুপিয়ে হত্যা করেছে জঙ্গিরা। আইএস এর দায় স্বীকার করেছে। সুতরাং, পুরোহিত শ্যামানন্দ দাসকে কুপিয়ে হত্যা এবং রাতে গুলশানের লোমহর্ষক জিম্মির ঘটনায় প্রমাণিত হলো, সরকারের সপ্তাহব্যাপী ক্র্যাকডাউনের উদ্দেশ্য ছিল বিএনপি দমন, জঙ্গিবাদ দমন নয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow