Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৫ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৫ জুলাই, ২০১৬ ০০:০২
গুলশান হামলার প্রভাব পড়বে না পোশাক খাতে : বিজিএমইএ
নিজস্ব প্রতিবেদক

গুলশানে জঙ্গি হামলায় দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্পে বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। তার দাবি, এ ঘটনার পর পোশাক খাতের দু-একটা বড় ক্রেতা বলেছেন, তারা বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা কমাবেন না।

তবে গুলশান হামলার ধাক্কা তো কিছুটা লাগবেই। ফলে প্রভাবটা এখনই বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিজিএমইএ ভবনে আয়োজিত ‘ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পোশাকশিল্পের শ্রম পরিস্থিতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সিদ্দিকুর রহমান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, মোহাম্মাদ নাসির প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে গুলশানের রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের প্রতি শোক জানিয়ে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সিদ্দিকুর রহমান বলেন, গুলশান হামলায় এক পোশাকশিল্প উদ্যোক্তার মেয়ে নিহত হয়েছেন। আর ইতালিয়ান যে ৯ জন নিহত হয়েছেন, তাদের ছয়জনই পোশাকশিল্পের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার মতে, ‘জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ সমস্যা বাংলাদেশ দ্রুততার সঙ্গে কাটাতে পারবে। এর সঙ্গে জনগণকে সচেতন করতে হবে। আমাদের সন্তানদের প্রতিও খেয়াল রাখতে হবে। ’ ঈদকে সামনে রেখে পোশাকশ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন মালিকরা। ইতিমধ্যে অধিকাংশ কারখানা বেতন ও উৎসব ভাতা প্রদান করে শ্রমিকদের ছুটি দিয়েছে। যেসব শ্রমিকের বেতন-ভাতা প্রদান বাকি আছে, তাদের আজকের (গতকাল) মধ্যেই পরিশোধ করা হবে। এরই মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ কারখানা উৎসব ভাতা প্রদান করেছে। অধিকাংশ কারখানা জুনের বেতন দিয়েছে। দু-তিনটি কারখানা আজ (গতকাল) বেতন প্রদান করেছে। ফলে এরপর আর কোনো কারখানায় বেতন বকেয়া থাকবে না। আজ (গতকাল) বিকাল ৪ টার মধ্যে শতভাগ কারখানায় ঈদের ছুটি প্রদান করা হবে। ’ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ঈদের আগে বেতন-ভাতা বিষয়ে সমস্যা হতে পারে এমন ৩৫০টি পোশাক কারখানার নামের তালিকা বিজিএমইএ পেয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও শিল্পপুলিশ থেকে। এগুলোকে সমন্বয় করে বিজিএমইএ সর্বমোট ১ হাজার ২০০টি কারখানাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনে। পরে বিজিএমইএ সর্বমোট ১ হাজার ৩১৯টি কারখানা পরিদর্শন করে। এর মধ্যে ৪৪টি কারখানার সমস্যার ধরন বুঝে তা সমাধানে সহায়তা করে বিজিএমইএ।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow