Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৫ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৫ জুলাই, ২০১৬ ০০:০৩
বিশ্ব মিডিয়ায় গতকালও ছিল বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিসান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার পর গতকাল তৃতীয় দিনেও বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশ ছিল অন্যতম আলোচ্য বিষয়। বিশ্বের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যমগুলো ঘটনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশ্লেষণ প্রকাশ করে গতকাল।

ভারতের বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা গতকাল ‘কারা চালাচ্ছে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ? ভাবাচ্ছে দিল্লিকে’ শিরোনামের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, ‘গুলশানের কাফেতে নাশকতার জন্য জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) জঙ্গিদের কাজে লাগানো হয়ে থাকতেই পারে। কিন্তু এই জঙ্গিরা কাদের হাতে পরিচালিত হচ্ছে? আইএস না আল কায়েদা? সাউথ ব্লকের ধারণা, গুলশানের ঘটনার পিছনে আইএস বা আল-কায়েদার মতো শক্তিশালী কোনো সংগঠনের মস্তিষ্কই কাজ করেছে। পাশাপাশি এই নাশকতা যে ভবিষ্যতে উপমহাদেশ তথা ভারতে আরও ভয়াবহ রূপ নিয়ে আছড়ে পড়তে পারে, সে আশঙ্কাও ক্রমশই গভীর হয়ে দানা বাঁধছে ভারতীয় গোয়েন্দাদের সামনে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদপত্র ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল গতকাল জানিয়েছে, জাপানি উন্নয়ন সংস্থা জাইকা বাংলাদেশ থেকে তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নিতে পারে। গুলশানে ‘হলি আর্টিসান  বেকারি’তে সন্ত্রাসীদের হামলায় সাত জাপানি নাগরিক নিহতের প্রেক্ষাপটে ‘জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি’ (জাইকা) এ সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে জাইকার এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এক সংবাদ প্রকাশ করে তারা। জাইকার এক নারী মুখপাত্র ওয়াল স্ট্রিটকে জানিয়েছে, এ হত্যাকাণ্ডের পর তাদের সংস্থা বাংলাদেশ থেকে কর্মকাণ্ড গুটিয়ে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী হচ্ছে জাইকা। সংস্থাটির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০১৪ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগিতা প্রকল্পে ৪৭ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে জাপান। নিহত জাপানি নাগরিকরা মেট্রোরেল প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার গতকালের খবরে বলা হয়, ঢাকায় আইএসের হামলার ঝুঁকির আশঙ্কার কথা জানিয়েছিল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। গত মাসে দুই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের সময় এ সতর্কবার্তা জানানো হয়েছিল। শুক্রবারের হামলা প্রতিরোধ করার মতো সরাসরি কোনো তথ্য ছিল না ভারতীয় গোয়েন্দাদের কাছে। তবে ভারতের মাটিতে বাংলাদেশি উগ্রপন্থিরা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন বলে প্রমাণ দিয়েছিলেন তারা। এছাড়া বিবিসি, সিএনএনসহ আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় বাংলাদেশের জঙ্গি হামলার বিভিন্ন দিক নিয়ে দিনভর সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow