Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ১০ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১০ জুলাই, ২০১৬ ০০:০২
উত্তরার আলাউদ্দিন টাওয়ারে আগুন
বাবার পথে শিশু মাইশা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরার ট্রপিক্যাল আলাউদ্দিন টাওয়ার শপিং কমপ্লেক্সের লিফট ছিঁড়ে দুর্ঘটনায় দগ্ধ শিশু মেহনাজ হাসান মাইশা (১০) টানা ১৪ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে হেরে গেছে। শুক্রবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। এর আগে মাইশার বাবা মাহমুদুল হাসানও দগ্ধ হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

বর্তমানে মাইশার আট মাস বয়সী ছোট ভাই  হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, শরীরের ২৩ শতাংশ পুড়ে যাওয়া মোমতাকিনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। মাইশাকে নিয়ে আলাউদ্দিন টাওয়ারের ঘটনায় এ পর্যন্ত আটজনের মৃত্যু হলো।

বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল বলেন, আগুনে মাইশার শরীরের ৫০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। সে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তাদের গ্রামের বাড়ি বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে। ২৫ জুন সন্ধ্যায় আলাউদ্দিন টাওয়ারের লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে যায়। এতে ওই মার্কেটে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। লিফট ছিঁড়ে যাওয়ায় দেয়াল চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়। আহত হন অর্ধশতাধিক। দগ্ধ হয়ে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ভোরে মারা যান মাহমুদুল হাসান। আগুনে তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। আলাউদ্দিন মার্কেটের বেজমেন্টে অবস্থিত ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের ডিজিএম ছিলেন মাহমুদুল হাসান। তার অফিসের সহকর্মীদের পরিবার নিয়ে ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। মাহমুদুল ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে আগেই অফিসে চলে আসেন। স্ত্রী মেহবুবা হাসান উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের বাসা থেকে আসছিলেন। এর মধ্যেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow