Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১২ জুলাই, ২০১৬ ০০:০৯
রামুতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত সাতক্ষীরায় একজন গুলিবিদ্ধ
প্রতিদিন ডেস্ক

কক্সবাজারের রামু চা বাগান এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে জসীম উদ্দিন খোকন নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। রবিবার রাত ৩টায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জাহাঙ্গীর আলম নামে এক মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রবিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—

কক্সবাজার : রামু চা বাগান এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে জসীম উদ্দিন খোকন (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। রবিবার রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক সদর উপজেলার ভারুয়াখালী পশ্চিমপাড়ার মৃত ওয়াহিদুল আলমের ছেলে। পুলিশের দাবি, খোকন চিহ্নিত ডাকাত। তার বিরুদ্ধে ইয়াবা, অস্ত্র, ডাকাতিসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সদর থানায় ১৩টি ও রামু থানায় ৪টি। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, খোকন একজন দোকানদার। পুলিশ পরিকল্পিতভাবে তাকে ‘ক্রসফায়ার’ দিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক বিচার দাবি করেছে খোকনের পরিবার। রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, এর আগে খোকনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে তার জবানবন্দির পরিপ্রেক্ষিতে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হলে তার সহযোগী ডাকাতদলের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ডাকাতদলের সদস্যদের গুলিতেই খোকন মারা যান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চার পুলিশ সদস্য। তিনি জানান, ডাকাতদের কাছ থেকে ৭টি দেশি অস্ত্র ও ৭০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত ইব্রাহিম, রুবেল ও দুই পুলিশ সদস্যকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা : পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জাহাঙ্গীর আলম নামে এক মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রবিবার রাতে সাতক্ষীরা পৌরসভার রসুলপুরে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী রসুলপুর মধুমোল্লারডাঙ্গি গ্রামের মফিজুল ইসলাম সরদারের ছেলে। জেলা পুলিশের তথ্য কর্মকর্তা এসআই কামাল হোসেন জানান, রবিবার রাতে পুলিশ জানতে পারে, একদল মাদক ব্যবসায়ী শহরের রসুলপুর হাজীরবেড় সাকিনের গফুর সরদারের আমবাগানের ভিতর মাদকদ্রব্য বেচাকেনা করছে। পরে সদর থানার এসআই রাকিব হোসেন ও এএসআই পাইক দেলোয়ারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। রাত দেড়টার সময় পুলিশের দলটি ঘটনাস্থলে পৌঁছলে মাদক ব্যবসায়ীরা অতর্কিতভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালায় ও কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। এতে একজন মাদক ব্যবসায়ী আহত হন এবং অন্যরা পালিয়ে যান। এ সময় ১৪৫ পিস ইয়াবা, ২ বোতল ফেনসিডিল ও বিস্ফোরিত বোমার অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়। আহত মাদক ব্যবসায়ীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী বলে পুলিশ জানায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারত থেকে মাদকদ্রব্য এনে শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিলেন। এ ঘটনায় সদর থানায় মাদক ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow