Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৭

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১২ জুলাই, ২০১৬ ০০:১৬
আখাউড়া-আগরতলা রেললাইনের কাজ শুরু শিগগির
কলকাতা প্রতিনিধি

আগরতলা-আখাউড়া প্রস্তাবিত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রেললাইন পাতার জন্য খুব শিগগির জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে। ইতিমধ্যে এ প্রকল্পের জন্য উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (ডোনার বা ডেভেলপমেন্ট অব নর্থ ইস্ট রিজিওন) থেকে অর্থও বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০১৭ সাল নাগাদ এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

রবিবার পশ্চিম ত্রিপুরার জেলা শাসক মিলিন্দ রামটেকে সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘ভারতের অংশে এ রেল প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের জন্য ৯৭ কোটি রুপি বরাদ্দ করা হয়েছে। পুরো অর্থই রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং ভারতীয় অংশে ৫ কিলোমিটার রেললাইন পাতার জন্য খুব শিগগির জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে। যেহেতু আগে থেকেই জমির মালিকদের এ সম্পর্কিত নোটিস পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তাই পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করতে তিন মাস লাগবে। ’

ত্রিপুরার আগরতলা থেকে বাংলাদেশের আখাউড়া পর্যন্ত ১৫.০৫৪ কিলোমিটার এ রেললাইন প্রকল্প ভারতই তৈরি করবে। ভারতীয় অংশে ৫ আর বাংলাদেশে ১০ কিলোমিটার রেলপথ হবে। কৃষিজমি রক্ষায় ভারতীয় অংশে এ ৫ কিলোমিটারের মধ্যে ৩.৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য একটি ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে। ২০১৭ সাল নাগাদ দুই দেশের মধ্যে এ রেললাইন পাতার কাজ শেষ হবে।

২০১০ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরেই দুই দেশের মধ্যে নতুন এ রেল প্রকল্পটি তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়। ভারতের সঙ্গে রেলপথে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগেই শেখ হাসিনা ও ভারতের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের মধ্যে এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

আগরতলা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত রেললাইন সংযোগের মধ্য দিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে ভারতের বাকি অংশ এবং বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

২০০৮ সালে ভারতের রেল মানচিত্রে যোগ হয় ত্রিপুরা। সড়কপথে কলকাতা থেকে আগরতলার দূরত্ব প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার, কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে আগরতলার রেলসংযোগ হয়ে গেলে কলকাতা থেকে বাংলাদেশ হয়ে আগরতলার দূরত্ব কমে দাঁড়াবে ৫০০ কিলোমিটারে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow