Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১২ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৫০
নিরাপত্তা জোরদার সব বিমানবন্দরে
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সবকটি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর এ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিমানবন্দরে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। নেওয়া হয়েছে বাড়তি নজরদারি। বিমানবন্দরে প্রবেশ-বাইর ও ভিতরে সন্দেহভাজন ব্যক্তি, ব্যাগ ও গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে। গতকাল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। গতকাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সঙ্গে বৈঠকের পর বিমান সদর দফতরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সব বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তবে এটা রেড  অ্যালার্ট নয়। এদিকে, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়ায় সরাসরি কার্গো ফ্লাইট পরিবহনে নিষেধাজ্ঞাকে ‘রাজনৈতিক’ উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের জন্য কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন বিমানমন্ত্রী।   তিনি বলেন, যে বহিঃশক্তি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছিল, গুলশান ও শোলাকিয়ায় হামলার ঘটনায় তারা কিছুটা সফল হয়েছে। এ দুটি ঘটনার ফলে আমরা একটু ব্যাকফুটে আছি। সেই বহিঃশক্তি কারা? এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, যাদের দেশে সব সময় খুন-হত্যা-সন্ত্রাস চলছে তারা। তারা এখন আমাদের দেশে এসে নাক গলাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতি জাতীয় জীবনে বড় ধরনের দুর্যোগ। আমাদের আশপাশের খোঁজখবর রাখতে হবে। সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়াতে হবে। দেশের অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি জোরদার করা হয়েছে। কেবল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই নয়, সব অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সিনিয়র এএসপি তানজিনা আক্তার বলেন, গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পরপরই হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দর্শনার্থী কাউকে ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। চেকপোস্ট ও জনবল বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি, গাড়ি, ব্যাগ মেটাল ডিটেক্টর, ভেহিক্যাল স্ক্যানার ও ম্যানুয়াল চেকিংয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করা হচ্ছে। এ ছাড়া এপিবিএনের ক্রাইসিস রেসপন্স টিম (সিআরটি) ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow