Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১২ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৫৫
পর্যটন
হাকালুকি হাওরের প্রধান আকর্ষণ ‘প্রমোদতরী
শাহ্ দিদার আলম নবেল, সিলেট
হাকালুকি হাওরের প্রধান আকর্ষণ ‘প্রমোদতরী

হাকালুকি হাওরে পর্যটকদের বিনোদনের জন্য নামানো হয়েছে তিনটি ‘পিকনিক শিপ’। পর্যটকদের কাছে এগুলো প্রমোদতরী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

গত ৯ জুলাই স্থানীয় সমাজসেবী আজিজুর রব চৌধুরীর উদ্যোগে এ প্রমোদতরীগুলো ভাসানো হয়। এরপর পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে  দাঁড়িয়েছে এগুলো। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি। ২৩৬টি বিলের সমন্বয়ে ২০ হাজার ৪০০ হেক্টর এলাকাজুড়ে হাওরের বিস্তৃতি। সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার ৬ উপজেলা ছুঁয়ে গেছে বিশাল হাওরের জলরাশি। শীত ও বর্ষায় রূপ বদলায় হাকালুকি। শীতে যে হাওর মুখর থাকে পরিযায়ী পাখির কলতানে, বর্ষায় সে হাওরে ওঠে ফেনিল ঢেউ। ফলে বর্ষায় সিলেটের মানুষের কাছে হাকালুকির পরিচয় হয়ে যায় ‘মিনি কক্সবাজার’। প্রতিবছর বর্ষায় এ ‘মিনি কক্সবাজারে’ ঢল নামে পর্যটকদের। নৌকায় করে তারা ঘুরে বেড়ান। এবারও পর্যটকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রমোদতরীতে ভেসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন হাকালুকি। আজিজুর রব চৌধুরী জানান, বাণিজ্যিক চিন্তা-ভাবনা থেকে নয়, বরং পর্যটকদের বিনোদন দেওয়ার জন্যই তিনি প্রমোদতরীগুলো হাকালুকিতে নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, প্রতিবছর বর্ষায় অনেক পর্যটক হাকালুকিতে বেড়াতে আসেন। তারা নৌকায় করে হাওরে ঘুরে বেড়ান। হাওরের উত্তাল জলে নৌকায় করে ঘুরে বেড়ানো অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিবছর দুর্ঘটনাও ঘটে থাকে। তাই পর্যটকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে প্রমোদতরী নামানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ঘিলাছড়া জিরো পয়েন্ট থেকে প্রমোদতরীতে ওঠেন পর্যটকরা। এগুলো হাওর ঘুরে একই স্থানে নোঙর করে। পর্যটকদের চাহিদামাফিক খাবার সরবরাহেরও ব্যবস্থা রয়েছে শিপগুলোতে। নিরাপত্তার ব্যাপারে তিনি বলেন, শিপের ভিতর সাপোর্ট বোট রয়েছে, যাতে দুর্ঘটনা ঘটলে এই বোটগুলো দিয়ে পর্যটকরা তীরে উঠতে পারেন। এ ছাড়া প্রতি পর্যটকের জন্য রয়েছে লাইফ জ্যাকেটের ব্যবস্থা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow