Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৩ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৪৭
শিল্পকলায় ‘দেবী’
সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক
শিল্পকলায় ‘দেবী’

প্রয়াত নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের রচনা অবলম্বনে নাটকের দল বহুবচন শিল্পকলা একাডেমিতে মঞ্চায়ন করল ভিন্নধর্মী গল্পের নাটক ‘দেবী’।

নিয়মিত প্রযোজনার ১০৫তম মঞ্চায়নের এ নাটকটি গতকাল সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটার হলে মঞ্চায়ন হয়।

আরহাম আলোর নির্দেশনায় নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন— তৌফিকুর রহমান, আরহাম আলো, মোহাম্মদ উল্লাহ মাহমুদ, কবিতা, সালাহউদ্দিন আহমেদ, রচনা, হ্যাপি, তাপস, দেবাশীষ, অমিত ও আশিক খান চৌধুরী প্রমুখ।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি : গতকাল ছিল বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত গবেষক, বহু ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বক্তৃতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বরেণ্য এই শিক্ষাবিদ, ভাষাবিদ ও গবেষকের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে বাংলা একাডেমি। সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ আয়োজন। বিকাল ৪টায় কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় একক বক্তৃতানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে ‘বাঙালির রেনেসাঁ ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’ শীর্ষক বক্তৃতা প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক বেগম আকতার কামাল। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি ইমেরিটাস প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহীদুল্লাহর ছেলে চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীর। অধ্যাপক বেগম আকতার কামাল বলেন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন মনেপ্রাণে বাঙালি।

ইতিবাচক মুসলিম জাগরণের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে তিনি বাঙালিত্বের বিকাশ কামনা করেছেন। ধর্মীয় স্বাতন্ত্র্যবাদে আস্থা তার জাতীয়তাবাদী চেতনা স্ফূরণের পথে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। ভাষাকে শহীদুল্লাহ বিবেচনা করেছেন জাতিগত উন্নতি ও শ্রীবৃদ্ধির মাপকাঠি হিসেবে। প্রজ্ঞা ও আদর্শিক অভিযাত্রা তাকে বাঙালিত্বের পক্ষে এমন অসাধারণ উপলব্ধিতে উপনীত করে— আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি। এটি কোনো আদর্শের কথা নয়, এটি একটি বাস্তব সত্য। ইমেরিটাস প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান বলেন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভাষা, সাহিত্য এবং সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার দরজা খুলে দিয়েছেন। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর শেষ জীবনের অসামান্য কীর্তি আঞ্চলিক ভাষার অভিধান। গবেষণার পাশাপাশি নানা সামাজিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow