Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৪ জুলাই, ২০১৬ ২৩:২২
নর্থ সাউথে ইউজিসির প্রতিনিধি দল
কিছু লুকানোর নেই আমাদের : উপাচার্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে সম্প্রতি জঙ্গি হামলার ঘটনায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ার পর গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছে। প্রতিনিধি দলের আহ্বায়ক ছিলেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম। গতকাল বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন তারা।

জানা যায়, জঙ্গিবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতাসহ  বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। তবে কর্তৃপক্ষ কয়েকটি তথ্য সরবরাহ করতে পারেনি। এ জন্য দুই সপ্তাহের সময় নিয়েছে তারা। তাদের তথ্য পাওয়ার পর এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন ইউজিসিতে দাখিল করা হবে।

এদিকে প্রতিনিধি দলের আহ্বায়ক ড. দিল আফরোজা বেগম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিদর্শনের একটি পূর্বনির্ধারিত শিডিউল ছিল। কিন্তু সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডে নর্থ সাউথের ছাত্র জড়িত থাকার খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা ব্যাখ্যা চেয়েছি।

নর্থ সাউথ কর্তৃপক্ষের ব্রিফিং : ইউজিসির প্রতিনিধি দল নর্থ সাউথ পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেয় কর্তৃপক্ষ। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আগে ইউজিসি এ বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেছিল। এবারের পরিদর্শন ছিল ফলোআপ। আমাদের কিছু লুকানোর নেই। ইউজিসিকে সব তথ্য সরবরাহ করেছি। জঙ্গি সংশ্লিষ্টতায় যাদের নাম এসেছে তারা আগে ছাত্র ছিল। এখন তাদের খোঁজ রাখা আমাদের সম্ভব নয়। দুঃখের বিষয়, আমাদের কিছু ছাত্রের নাম এর মধ্যে আসছে। আমরা সমস্যা স্বীকার করছি এবং এর জন্য সব পদক্ষেপ নেব। কেন বার বার নর্থ সাউথের নাম আসছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি যদি জানতে পারতাম তবে ভালো হতো। তাই আমি বলতে পারব না। উপাচার্য বলেন, একজন ছাত্র সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৯ থেকে ১২ ঘণ্টা ক্যাম্পাসে থাকে। এ সময়টি সে ব্যস্ত থাকে লেখাপড়া নিয়ে। এর বাইরে তারা কী করছে এসব তো আমাদের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। আপনাদেরও সহযোগিতা চাই। দুই যুদ্ধাপরাধীর সন্তান নর্থ সাউথে চাকরি করা সম্পর্কে আতিকুল ইসলাম বলেন, এটি ছিল ১৯৯০ সালের দিকে। এ ছাড়া তারা এক বছরের বেশি ছিলেন না।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow