Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৬ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৫৭
নারায়ণগঞ্জের সাত খুন
আরও ৮ সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রদান
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ৭ খুন মামলায় আরও ৮ সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। গতকাল নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

এ দিন বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোনের সাবেক পরিচালক (স্টকহোল্ডার রিলেশন) ইশতিয়াক হোসেন চৌধুরী, বন বিভাগের রেঞ্জার ফজলুল হক, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সাবেক এসআই বর্তমানে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানায় কর্মরত মাসুদ আলম খান, র‌্যাব-১১ এর সাবেক ডিএডি বর্তমানে র‌্যাব হেড কোয়ার্টারে একই পদে      কর্মরত জামাল উদ্দিন, একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ৭ জনের লাশ ফেলার কাজে ব্যবহূত র‌্যাবের স্টিলবোট জব্দের সাক্ষী রমজান হোসেন, মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের বাড়ি থেকে জব্দ করা মালামালের সাক্ষী ওয়ার্কশপ শ্রমিক মকবুল হোসেন ও মাছ ব্যবসায়ী আবদুর রউফ এবং ফতুল্লা মডেল থানার সাবেক ওসি বর্তমানে ঢাকা সিটি এসবিতে কর্মরত আক্তার হোসেন সাক্ষ্য দেন। বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ আগামী ২৫ জুলাই ধার্য করেন। মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোনের সাবেক পরিচালক ইশতিয়াক হোসেন চৌধুরী তার সাক্ষ্যে আদালতকে বলেন, ২০১৫ সালের ১৮ মার্চ পুলিশ হেড কোয়ার্টারের এআইজি (কনফেডিনশিয়াল) মাহফুজুর রহমান গ্রামীণফোনের ১০টি নম্বরের কল ডিটেইলস চেয়ে পাঠান। তারা ৩০ মার্চ ওই ১০টি নম্বরের কল ডিটেইল পাঠিয়ে দেন। বন বিভাগের রেঞ্জার ফজলুল হক বলেন, মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের বাড়িতে ক্রোক অভিযানে যেসব বন্যপ্রাণী উদ্ধার হয়েছিল সেগুলো সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মাসুদ আলম খানের কাছ থেকে তিনি বুঝে নেন। বন্যপ্রাণীগুলোর মধ্যে ছিল— তিলা ঘুঘু, আফ্রিকান ধূসর প্যারট, ব্লু ম্যাকাউ, কাকাতুয়া, আফ্রিকান প্যারট, ইউরোশিয়ান কালার ঘুঘু এবং বিভিন্ন প্রজাতির কবুতর। আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন বলেন, গতকাল আদালতে ৮ জন সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। মামলার পরবর্তী তারিখ ২৫ জুলাই। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামের সামনে থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল ৬ জনের লাশ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। পর দিন ১ মে আরও একজনের লাশ একই স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় নিহত নজরুল ইসলাম ও তার ৪ সহযোগী হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বাদী হয়ে একটি এবং সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়ির চালক ইব্রাহিম হত্যার ঘটনায় তার জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় আরেকটি মামলা করেন। প্রায় এক বছর তদন্ত শেষে ৩৫ জনকে আসামি করে গত বছরের ৮ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।

up-arrow