Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৩৪
পদ না পেয়ে চবির গেটে তালা দিল ছাত্রলীগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণাতেই উত্তাল হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না দেওয়ার অভিযোগে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা চবির মেইন গেটে গতকাল দুপুরেই তালা লাগিয়ে দেয়।

একই সঙ্গে বন্ধ করে দেয় চবির শাটল ট্রেন। টানা বন্ধ শেষে চবি খোলার এ কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানা যায়। চবি সূত্রে জানা যায়, মাহে রমজান, ঈদুল ফিতর ও বর্ষাকালীন ছুটি উপলক্ষে গত ১ জুন থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকে চবি। দেড়মাস শেষে গত রবিবার খোলে চবি। গতকাল সকালে ঘোষণা করা হয় চবি ছাত্রলীগের ২০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এরপর দুপুরেই উত্তাল হয় চবি। এতে শঙ্কা বিরাজ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে। আন্দোলনকারী ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী এ সময় বিক্ষোভ-মিছিল করতে থাকে ‘অবৈধ কমিটি মানি না’ বলে স্লোগানও দেয়। আন্দোলকারীদের অভিযোগ, পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যোগ্য, ত্যাগী ও বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী নেতা-কর্মীরা বঞ্চিত হয়েছেন। বেশির ভাগ নেতা-কর্মীই প্রত্যাশিত পদ পাননি। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে আমাদের দাবি— পুনরায় কমিটি ঘোষণা করে যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের প্রত্যাশিত পদ দেওয়া। চবির সহকারী প্রক্টর নিয়াজ মোরশেদ রিপন বলেন, ছাত্রলীগের কমিটিতে পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়ার অভিযোগে কিছু নেতা-কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়েছে। পরে তাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। ছাত্রলীগ চবি সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৯ জুলাই আলমগীর টিপু সভাপতি ও ফজলে রাব্বী সুজনকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রলীগ চবি শাখার এক বছর মেয়াদি কমিটি ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় সংসদ। দ্রুত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার তাগাদাও দেওয়া হয় সে সময়। কিন্তু কমিটি গঠনের সাত মাসে চার দফা সংঘর্ষ হয়। গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে কেন্দ্র থেকে চবি কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়। কিন্তু কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার একদিন আগে গতকাল পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে। এতে ২৬ সহসভাপতি, ৯ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৯ জন সাংগঠনিক সম্পাদক পদসহ ২০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়। ছাত্রলীগ চবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী সুজন বলেন, চবিতে বর্তমানে অনেক নেতা-কর্মী সৃষ্টি হয়েছে। সবাই নিজের মতো করে পদ প্রত্যাশা করছেন। কিন্তু কমিটি তো সীমিত পদের। সবাইকে তো আর খুশি করা যায় না। তাই হয়তো ক্ষুব্ধ হয়ে কেউ কেউ আন্দোলন করছেন। দুদিন আগে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুদিন পর অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির মেয়াদ বৃদ্ধি করবে কেন্দ্রীয় সংসদ।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow