Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : বুধবার, ২০ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৯ জুলাই, ২০১৬ ২৩:২৪
শিবির নেতাসহ পুলিশের ক্রসফায়ারে দুজন নিহত
প্রতিদিন ডেস্ক

ঝিনাইদহে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ওরফে মামুনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে মধুপুরের চারমাইল নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, সোমবার গভীর রাতে যশোরে বন্দুকযুদ্ধে নেছার আলী নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শহরের বারান্দীপাড়ায় ভৈরব নদের ধারে ঘটনা ঘটে।

আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- ঝিনাইদহ: সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ওরফে মামুনের মৃত্যু (২২) হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে সদর উপজেলার মধুপুরের চারমাইল নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি শাটারগান, পাঁচটি হাতবোমা, গুলি, হাসুয়া ও রামদা উদ্ধার করেছে। এ সময় কনস্টেবল ফয়সাল হোসেন ও সুমন হোসেন আহত হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। সাইফুল  শৈলকুপা উপজেলার ফুলহরি ইউনিয়নের পুটিমারি গ্রামের লুত্ফর রহমানের ছেলে ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র এবং ছাত্র শিবিরের সাথী সদস্য ও শৈলকুপা উপজেলা ভাটই অঞ্চলের সেক্রেটারি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ জানান, পুলিশের একটি টহলদল ঝিনাইদহ-মাগুরা সড়কে আড়ুয়াকান্দি নামক স্থানে পৌঁছলে শিবিরের নেতা-কর্মীরা ৪/৫ টি হাতবোমা ছোড়ে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে ১০ মিনিট গুলি বিনিময় হয়। পরে শিবির নেতা-কর্মীরা পালিয়ে গেলে গুলিবিদ্ধ সাইফুলের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তবে ১৬ জুলাই ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৩ জুলাই বাসা থেকে সাইফুল ইসলামকে পুলিশ আটক করে। যশোর : সোমবার রাতে শহরের বারান্দীপাড়ায় ভৈরব নদের ধারে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আলী আহসান ওরফে হাসান আলী টিক্কা যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে লাশ দেখে তার ভাইকে শনাক্ত করেন। মৃত যুবক শহরের বেজপাড়া আজিমাবাদ কলোনি এলাকার আবদুল গফফারের ছেলে নেছার আলী (৩২)। আলী আহসান দাবি করেন, রবিবার রাতে পুলিশ পরিচয়ে একদল লোক নেছার আলীকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। তবে কোতোয়ালি থানার ওসি মো. ইলিয়াস হোসেন দাবি করেন, সোমবার রাতে বারান্দীপাড়ায় ভৈরব নদের ধারে একটি বাগানে একদল ডাকাতের সঙ্গে মাদক বিক্রেতাদের সংঘর্ষ হয়। পুলিশের একটি দল গিয়ে ১০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবককে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, তিন রাউন্ড গুলি ও তিনটি রামদা উদ্ধার করা হয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow