Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২০ জুলাই, ২০১৬ ২৩:২১
হজে ১০ আঙ্গুলের ছাপ সংকট
সৌদি আরবকে চিঠি আজ
মোস্তফা কাজল

আসন্ন হজ মৌসুমে জেদ্দা বিমানবন্দরে ভোগান্তি হ্রাসের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিতে হজযাত্রীদের ১০ আঙ্গুলের ছাপ চেয়েছে সৌদি আরব সরকার। ফলে নতুন করে বাংলাদেশি হাজীদের জন্য জটিলতা ও সংকট দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, সার্বিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে সৌদি সরকারের কাছে পরবর্তী নির্দেশনা চেয়ে আজ চিঠি দেবে ধর্ম মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এমন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আগামী ৪ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে হজযাত্রী পরিবহন (ফ্লাইট)। চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে নিবন্ধিত ১ লাখ ১ হাজার ৭৫৮ নারী, পুরুষ ও শিশুর হজ পালনের কথা রয়েছে। বিপুলসংখ্যক হজ গমনেচ্ছুদের কাছ থেকে পৃথকভাবে ফিঙ্গার প্রিন্ট (আঙ্গুলের ছাপ) সংগ্রহ করা সময় ও অর্থের সঙ্গে জড়িত। এ কারণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে হজযাত্রীদের প্রত্যেকের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) থাকা স্বাক্ষরের প্রতিলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ধর্ম মন্ত্রণালয়। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেইন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, সৌদি সরকার ১০ আঙ্গুলের ছাপ চাইলেও বাংলাদেশ পাসপোর্টে দেওয়া চার আঙ্গুলের ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে চেয়ে সৌদি সরকারকে অনুরোধ জানিয়ে আজ চিঠি দেওয়া হবে। আশা করছি, এরপর সব ধরনের জটিলতা কেটে যাবে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সৌদি সরকার দুই হাতের ১০ আঙ্গুলের ছাপ সংবলিত ফিঙ্গার প্রিন্ট চেয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ পাসপোর্টে দুই হাতের (তর্জনী ও বৃদ্ধাঙ্গুল) ফিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়া হয়। রবিবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে এমআরপি পাসপোর্ট ও এতে নেওয়া চার আঙ্গুলের ফিঙ্গার প্রিন্টের নমুনা সৌদি সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।

 চলতি বছর থেকে সৌদি সরকার ইলেকট্রনিক হজ পদ্ধতিতে সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনার কাজে হাত দিয়েছে। ফলে হজযাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে আগাম ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সে অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় সৌদি কর্তৃপক্ষ। জেদ্দা বিমানবন্দরে গত বছর দায়িত্বপালনকারী এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, বিমানবন্দরে ফিঙ্গার প্রিন্টসহ ইমিগ্রেশনের জন্য হাজারো মানুষের দীর্ঘ লাইন থাকায় হজযাত্রীদের সার্বিক কার্যক্রম শেষ করতে কয়েক ঘণ্টা লেগে যায়। এ কারণে সৌদি সরকার আগাম এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow