Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২১ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৩৯
অষ্টম কলাম
এক ক্যামেরা আনতে জার্মানি যাচ্ছেন তিন কর্মকর্তা
প্রতিদিন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম কাভারেজের জন্য এক সেট ক্যামেরা (একটি ডিজিটাল ক্যামেরা ও কিছু যন্ত্রপাতি) আনতে জার্মানি যাচ্ছেন তথ্য মন্ত্রণালয় ও চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের পদস্থ তিন কর্মকর্তা। এই তিন কর্মকর্তা হলেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নূরুল ইসলাম ও অধিদফতরের উপ-পরিচালক শিপলু জামান।

খবর বিবিসির

তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নিলুফার নাজনীন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে আমদানিতব্য একসেট ডিজিটাল ক্যামেরা ও সরঞ্জামাদির প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশনের জন্য তারা জার্মানিতে যাচ্ছেন। চিঠির তথ্য অনুযায়ী, তাদের ব্যয়ভার আয়োজক সংস্থা (যাদের কাছ থেকে ক্যামেরা নেওয়া হচ্ছে) তারাই বহন করবে এবং এতে বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সংশ্লেষ নেই। নিলুফার নাজনীনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদনের পর তারা শুধু ভ্রমণের আদেশ সম্পর্কিত চিঠি ইস্যু করে থাকেন। ‘কেন একটি ক্যামেরা আনতে তিনজন কর্মকর্তাকে জার্মানি  যেতে হচ্ছে’— এমন প্রশ্নের জবাবে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের (ডিএফপি) মহাপরিচালক মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান বলেন, সংশ্লিষ্ট কোম্পানি থেকে শিপমেন্টের আগে তাদের তাতে স্বাক্ষর করতে হবে। তিনি বলেন, ‘ডিএফপি এনালগ থেকে ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করছে। তার অংশ হিসেবেই ডিজিটাল সিনেমাটোগ্রাফি আনা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম কাভারেজের জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা প্রয়োজন। যাতে হাই পাওয়ার লেন্সসহ আরও অনেক আধুনিক উপকরণ থাকবে। ’ তিনি জানান, ক্যামেরার মূল অংশের দাম পড়েছে ৩৫ হাজার ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকা), যেটি অনুমোদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে কর্মকর্তারা ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের প্রতিনিধি ছিল। এখন তারা (তিন কর্মকর্তা) সেটির শিপমেন্টের আগে নিশ্চিত হবেন যে সঠিক জিনিস দেওয়া হচ্ছে কি না, এবং ডিএফপির ডিজিটালাইজেশনে নতুন প্রকল্পের জন্যও তারা ধারণা গ্রহণ করবেন। ‘একটি ক্যামেরার জন্য তিনজন কর্মকর্তা— যারা ক্যামেরা বিষয়ক এক্সপার্টও নন, তাদের জার্মানি সফর কতটা যৌক্তিক’— এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএফপি মহাপরিচালক বলেন, ‘বাংলাদেশে ওই ধরনের এক্সপার্ট নেই। বরং দুই বছর কাজ করে আমাদের ধারণা সম্পর্কে আমরা আত্মবিশ্বাসী। লাইটিং, পোস্ট এডিটিংসহ নানা বিষয়ে আমরা ধারণা নেব এই সফরে। আগের বছর দুজনকে পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু তাদের রিপোর্ট আমাকে সন্তুষ্ট করেনি। তাই ভাবলাম এবার নিজেরাই যাব। ’ এ বিষয়ে তথ্য সচিব মরতুজা আহমেদ বলেন, ‘বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে এ ধরনের কার্যক্রম রয়েছে মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। তারাই মূলত এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন। ’

এই পাতার আরো খবর
up-arrow