Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৫ জুলাই, ২০১৬ ০০:০৬
‘জাতীয় সংগীত গায় না ২৩ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ২৩ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না। জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয় না ৯ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

৪৫ শতাংশ বিদ্যালয়ে নেই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন। ৪১ শতাংশে বার্ষিক ক্রীড়া ও ৭০ শতাংশে স্কাউটিং হয় না।

গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষক-কর্মচারী ফ্রন্ট আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ এ তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আজিজুল হক, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হক, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষক সমিতি সভাপতি অধ্যক্ষ আ. সাত্তার প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে কাজী ফারুক বলেন, দেশের প্রায় এক লাখ ১০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভিত্তি করে গণসাক্ষরতা অভিযানের অ্যাডুকেশন ওয়াচ রিপোর্ট ২০১৫ সালের প্রতিবেদনের এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, সততা বা নৈতিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত ৬২ শতাংশ তরুণ। মজার ছলে নেশার দিকে ঝুঁকছে ৬৮ শতাংশ তরুণ। পরিবার ও সমাজে নানা অসঙ্গতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় ভুল পদক্ষেপ, প্রতিকূল পরিবেশ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষকের পেশাগত দায়িত্বহীনতা ও অসদাচরণ, শিক্ষার্থী সন্তানের প্রতি বাবা-মার খুব বেশি বা খুব কম নজরদারিসহ বিভিন্ন অন্তরায় বর্তমানে সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে। কাজী ফারুক আহমেদ জানান, প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিসংখ্যানের মতো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চিত্রও এ থেকে খুব একটা ভিন্ন মনে করার কারণ নেই।

বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়ে অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ বলেন, শিক্ষক হিসেবে আমাদের যেমন দায়িত্ব আছে ঠিক তেমনি আমাদের সবারও ভূমিকা থাকতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে অভিযোগ রয়েছে তা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার্থীদের কাউন্সিলিং করতে হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow