Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৩১ আগস্ট, ২০১৬ ২৩:২৭
রাগীব আলীর কবল থেকে ৭১৫ স্থাপনা বুঝে পেলেন সেবায়েত
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
রাগীব আলীর কবল থেকে ৭১৫ স্থাপনা বুঝে পেলেন সেবায়েত

সিলেট তারাপুর চা বাগানের দেবোত্তর সম্পত্তিতে গড়ে ওঠা ৭১৫টি অবৈধ স্থাপনা সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্তকে বুঝিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। জালিয়াতির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা দখলে রেখেছিলেন কথিত দানবীর শিল্পপতি রাগীব আলী।

গতকাল দুপুরে সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মো. মাহবুবুর রহমান সেবায়েতকে স্থাপনাগুলো বুঝিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালতের দেওয়া রায়ের প্রেক্ষিতে ৭১৫টি স্থাপনা আনুষ্ঠানিকভাবে সেবায়েতকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু হবে। ’

জানা গেছে, ৪২২ দশমিক ৯৬ একর জায়গায় গড়ে ওঠা তারাপুর চা-বাগানের পুরোটাই দেবোত্তর সম্পত্তি। ১৯৯০ সালে ভুয়া সেবায়েত সেজে বাগানটির দখল নেন রাগীব আলী। রাগীব নিজের নামে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপনের    পাশাপাশি ৩৩৭টি প্লট তৈরি করে দেবোত্তর সম্পত্তির একাংশ বিক্রি করে দেন। এসব প্লটে গড়ে উঠেছে বহুতল আবাসন ও বিপণী বিতান। ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক (চিঠি) জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাতের দুটি মামলায় গত ১০ আগস্ট রাগীব আলী, তার ছেলে আবদুল হাই, মেয়ে রুজিনা কাদিরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। কিন্তু ওই দিনই জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ছেলেসহ ভারতে পালিয়ে যান রাগীব আলী। গত ১৯ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে হাইকোর্টের আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চ তারাপুর চা-বাগান দখল করে গড়ে ওঠা সব স্থাপনা ছয় মাসের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। রায় বাস্তবায়ন করতে সিলেটের জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে গত ১৫  মে চা-বাগানের বিভিন্ন স্থাপনা ছাড়া ৩২৩ একর ভূমি সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্তকে বুঝিয়ে দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। গতকাল স্থাপনাগুলোও বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow