Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৩১ আগস্ট, ২০১৬ ২৩:২৮
কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় জমজমাট টেক্সটেক এক্সপো
নিজস্ব প্রতিবেদক
কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় জমজমাট টেক্সটেক এক্সপো
আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় টেক্সটেক বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোর স্টল ঘুরে দেখেন অতিথিরা —বাংলাদেশ প্রতিদিন

পোশাক খাতের আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে প্রযুক্তির সম্ভারে। তারই প্রমাণ দিতে মেলা লেগেছে রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায়।

সেখানে অত্যাধুনিক সব মেশিনারিজ, কেমিক্যাল, এক্সেসরিজ, ফেব্রিক্সসহ সব ধরনের প্রযুক্তি ও উপাদানের সম্ভার তুলে ধরা হয়েছে। এসব প্রদর্শনে শুরু হয়েছে টেক্সটেক বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো। তৈরি পোশাক খাতের বিভিন্ন অত্যাধুনিক উপাদান ও প্রযুক্তি নিয়ে ২৩টি দেশের হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠান তাতে অংশ নিয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) একই ছাদের নিচে মেলা বসিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। যেখানে দর্শনার্থীরা তাদের কার্যকরী যোগাযোগের মাধ্যমে নতুন নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন। মেলার মনোমুগ্ধকর এসব স্টলে সাজানো আন্তর্জাতিক পণ্যগুলো ভোক্তা, দর্শক ও উদ্যোক্তাদের জন্য একটি যুগোপযোগী প্লাটফর্ম। কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড-সেমস গ্লোবাল ১৭তম এই এক্সপোর আয়োজন করেছে। গতকাল থেকে  শুরু হওয়া এই মেলা চলবে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ সময় প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য মেলা উন্মুক্ত রাখা হবে।  

আয়োজকরা জানিয়েছেন, ভারতের অ্যাসোসিয়েশন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব ইন্ডিয়া (এএসএসওসিএইচএএম), টেক্সপ্রোসিল এবং ক্যামেকসিলসহ খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান মেলায় নিজেদের পণ্য প্রদর্শনে অংশ নিয়েছে। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা এক হাজার ৫০টি কোম্পানি প্রদর্শনীতে তাদের পণ্য সাজিয়ে রেখেছে। আইসিসিবির চারটি হল ছাড়াও আরও নয়টি প্যাভিলিয়ন তৈরি করা হয়েছে। প্রদর্শনীর মাধ্যমে ভোক্তা, আমদানিকারক ও সরবরাহকারীদের মধ্যে একটি সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়ে তুলবে। যা বাংলাদেশের গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রি ও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অংশগ্রহণকারীরা জানান, বিশ্বায়নের এই যুগে পোশাক খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লক্ষ্যে টেক্সটেক বাংলাদেশ এক্সপো, ডাই-ক্যাম বাংলাদেশ এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইয়ান অ্যান্ড ফেব্রিক এশা কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম। সেমস গ্লোবালের সময়োপযোগী এ আয়োজন বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য বিদেশি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ২৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেমস গ্লোবাল দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বহুজাতিক প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে। টেক্সটেকের ১৭তম বার্ষিকী উদযাপনে সেমস গ্লোবাল বাংলাদেশ টেক্সটাইল টুডে ম্যাগাজিনের সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশ টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পের টেক্সঅ্যাপ ফোরামের তৃতীয় পর্ব ‘৩য় টেক্সঅ্যাপ বাংলাদেশ-২০১৬’ আয়োজন করেছে। এ ছাড়া আজ (বৃহস্পতিবার) ‘অ্যাট আর্থ বাংলাদেশ’-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘মাইসকন বাংলাদেশ-২০১৬’ আয়োজন করতে যাচ্ছে সেমস গ্লোবাল। এদিন বিকাল সাড়ে ৪টায় আইসিসিবির সম্মেলন কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হবে। মিটিংস, ইনসেন্টিভস, কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশনস বা সংক্ষেপে মাইস ট্যুরিজমের গুরুত্ব এবং তাত্পর্য উপস্থাপনের পাশাপাশি ওই ফোরামে পর্যটন শিল্পের নীতিনির্ধারকদের উপস্থিতিতে মাইস ট্যুরিজমের প্রচার ও প্রসারের স্বার্থে করণীয় আলোচনা করা হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow