Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:২৩
কৃষি সংবাদ
বীরগঞ্জে ড্রাগন চাষে ব্যাপক সফল কৃষক
রিয়াজুল ইসলাম, দিনাজপুর
বীরগঞ্জে ড্রাগন চাষে ব্যাপক সফল কৃষক

ড্রাগন চাষ তেমন পরিচিত হয়ে উঠেনি। কিন্তু লাভজনক হওয়ায় আগ্রহী হয়ে চাষ শুরু করেছেন দিনাজপুরের বীরগঞ্জের মামুনুর রশিদ মিলন।

তিনি নিজে চারা লাগিয়েছেন, পরিচর্যা করছেন। এখন তার বাগান থেকে নিয়মিত ড্রাগন ওঠার সময় হয়ে এসেছে। ড্রাগন ফলে পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর ফল এটি।

 ড্রাগন ফল প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হয়। ১২ শতক জমিতে ড্রাগন চাষ করে প্রতি বছর কমপক্ষে ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব বলে জানান মামুন। বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে উদোক্তা কৃষক মামুনুর রশিদ মিলন বীরগঞ্জের মোহনপুর ইউপির চকদফর গ্রামের ১২ শতক জমিতে ৪০টি ড্রাগন চারা রোপণের মধ্য দিয়ে এ উপজেলায় ড্রাগন চাষের যাত্রা শুরু করেছেন। এককালীন বিনিয়োগ করে দুই যুগ ধরে আয়ের উৎস গড়া যায় এই ড্রাগনের বাগান থেকে। মামুন জানান, ২০১৪ সালের ১৩ জুলাই ড্রাগনের চারা লাগাই। ১-২ বছরের মধ্যে প্রতি গাছে ১০-৩০টি ফল ধরে। প্রতি বছর একবার ফল দেয়। এপ্রিল-নভেম্বরে ফল বেশি হতে দেখা যায়। ফুলের রং-সাদা এবং ছাতার মতো। ফল প্রথমে সবুজ পরে পরিপূর্ণ লাল হয়। বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষের ৫টি জাত রয়েছে। এ ফলের পিঁপড়া ছাড়া আর কোনো সমস্যা নেই। তিনি জানান, বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। বীরগঞ্জ অঞ্চলে এর উজ্জ্বল সম্ভাবনাও রয়েছে। এ ব্যাপারে তৎকালীন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র রায় সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। এ ছাড়াও ড্রাগন বাগানে অন্য যে কোনো কৃষিপণ্য চাষ করা যায়। আমি ড্রাগন ফল চাষের পাশাপাশি সবজি চাষ করি। বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ এলাকার মাটি ড্রাগন চাষের জন্য বেশ উর্বর। দিনাজপুরের বীরগঞ্জ হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিক কারণে এ এলাকা ড্রাগন চাষের জন্য উপযুক্ত।

up-arrow