Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:০২
ফুটবলার তাসলিমার বাবাকে মারধর
শিক্ষক সাসপেন্ড, মামলা
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) অনূর্ধ্ব-১৬ বাছাই পর্বের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলের গোলরক্ষক তাসলিমা আক্তারের বাবা সবুজ মিয়াকে (৫৫) বুধবার মারধর করার অভিযোগে কলসিন্দুর হাইস্কুলের শরীরচর্চার শিক্ষক জোবেদ আলী তালুকদারের বিরুদ্ধে ধোবাউড়া থানায় মামলা হয়েছে। স্কুলের গভর্নিং বডি এজন্য ওই শিক্ষককে সাসপেন্ড করেছে এবং ঘটনা     তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ‘কেন তাকে বরখাস্ত করা হবে না’ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তার কারণ দর্শানোর জন্য ওই শিক্ষককে নোটিস দিয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম জানান, মামলাটি করেছেন সবুজ মিয়া। শিক্ষক জোবেদ আলীকে গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে। জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি বাজারে সবুজ মিয়াকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন শিক্ষক জোবেদ আলী। তাসলিমার বাবা জানান, তাকে এবং অন্যান্য নারী ফুটবলারের অভিভাবকদের স্কুলে ডেকে নিয়ে অপমান করেন জোবেদ আলী তালুকদার। সূত্র জানায়, স্কুলভিত্তিক ৪৫তম গ্রীষ্মকালীন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে খেলার জন্য বুধবার দুপুরে কলসিন্দুর উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে খেলোয়াড় ও অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন শিক্ষকরা। কিন্তু চূড়ান্ত পর্বে খেলতে পারবে না বলে জানায় মেয়েরা। তারা বলে, ‘বাফুফে আমাদের ১৬ অক্টোবর ঢাকায় থাকতে বলেছে। ১৭ তারিখ বাফুফে ভবনে আমাদের সংবর্ধনা। এর পরপরই সাফ টুর্নামেন্টের জন্য আমাদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে।’ ফুটবলারদের কথা শুনেই ক্ষিপ্ত হয়ে যান শিক্ষক জোবেদ আলী তালুকদার। তিনি বলেন, ‘তোরা যদি কোনো দিন এই স্কুলের নাম মুখে নিস তাহলে জুতিয়ে তোদের দাঁত খসিয়ে ফেলব।’ তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘তোমরা কাগজে সই দিয়ে স্কুল থেকে মেয়েদের নিয়ে যাও, জীবনে আর এ স্কুলে আসবা না।’ সবুজ মিয়া বলেন, তিনি এবং সাজেদা, মাহমুদা, নাজমার বাবা ও মার্জিয়ার ভাই দুপুরে জোবেদ আলী তাদের যে অপমান করেছিলেন সন্ধ্যায় সে বিষয়ে কলসিন্দুর প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক মফিজ উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এমন সময় জোবেদ আলী তার ওপর হামলা চালান।

up-arrow