Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:৪২
অবশেষে স্বীকার করলেন ট্রাম্প
মার্কিন নির্বাচন
প্রতিদিন ডেস্ক
অবশেষে স্বীকার করলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের শেষ নেই। নির্বাচনযুদ্ধে নেমেই মুসলমান, অভিবাসী— হেন বিষয় নেই যা নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেননি।

এমনকি নির্বাচনী প্রচারণায় বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সমালোচনা করতে গিয়ে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হলেও ওবামার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রে নয়। অবশেষে সেই মন্তব্য থেকে সরে এলেন ট্রাম্প। স্বীকার করলেন ওবামার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রেই। ওয়াশিংটন পোস্টকে দেওয়া ট্রাম্পের একটি সাক্ষাৎকারের পরপর এই বিবৃতিটি প্রদান করা হলো। ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ওবামা যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেছেন বলে স্বীকার করতে অস্বীকার করেছিলেন। ট্রাম্পের প্রচার শিবির এক বিবৃতিতে এই স্বীকারোক্তি দিয়েছে। বিবৃতিতে সই করেছেন ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জেসন মিলার। এতে বলা হয়, ওবামা যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেছেন বলে বিশ্বাস করেন ট্রাম্প। বিবৃতিটির আগে ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ওবামার জন্মস্থানের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান ট্রাম্প। ওবামা যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেননি বলে প্রচলিত ষড়যন্ত্রতত্ত্বে নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় ট্রাম্পকে সামনের কাতারে দেখা গেছে। ট্রাম্পকে এমন কথাও বলতে শোনা গেছে, ওবামা যে হাওয়াইয়ে জন্মগ্রহণ করেননি, তা প্রমাণে সেখানে অনুসন্ধানকারী পাঠাবেন তিনি। ট্রাম্পের অব্যাহত আক্রমণের মুখে একপর্যায়ে ওবামা তার জন্মসনদের মূল কপি হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটে তুলে দিতে বাধ্য হন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পকে এ বিষয়টি নিয়ে তেমন হইচই করতে দেখা যায়নি। কিন্তু তার সন্দেহ পুরোপুরি যায়নি বলেও জানান তিনি। এখন ট্রাম্পের প্রচার শিবিরই ওবামার হাওয়াইয়ে জন্ম নেওয়ার বিষয়টি মেনে নিল। এর আগে ট্রাম্পের রানিংমেট মাইক পেন্সও স্বীকার করেন, ওবামা যুক্তরাষ্ট্রেই জন্মেছেন। এ নিয়ে তার কোনো সন্দেহ নেই।

জরিপে ট্রাম্প-হিলারি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই : মার্কিন নির্বাচনের আর মাত্র দুই মাস বাকি। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে দুই প্রার্থীর লড়াই ততই হাড্ডাহাড্ডিতে পরিণত হচ্ছে। জনসমর্থনের দিক দিয়ে দুজনেরই ব্যবধান অনেক কমে এসেছে। এমনটিই দেখা গেছে ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’ ও সিবিএস নিউজ পরিচালিত নতুন জনমত জরিপে। হিলারির পক্ষে আছে ৪৬ শতাংশ জনসমর্থন। অন্যদিকে ট্রাম্পের জনসমর্থন হচ্ছে ৪৪ শতাংশ।

হিলারি ও ট্রাম্পের সমর্থকদের একটি বড় অংশই বলেছেন তারা মনস্থির করে ফেলেছেন। হিলারির ভোটারদের ৯৪ আর ট্রাম্পের ৯২ শতাংশই বলেছেন, তারা তাদের প্রার্থীকেই সমর্থন দিয়ে যাবেন। বাকি ভোটাররা কেবল একজনকে হটাতে অন্যজনকে ভোট দেওয়ার চিন্তাভাবনা করার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সামগ্রিকভাবে সম্ভাব্য ভোটারদের ৪৩ শতাংশ ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্পের সমর্থকদের ৫১ শতাংশই তাকে ভোট দিতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন। আর হিলারিকে ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ৪৩ শতাংশ সমর্থক। তবে কলেজ গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে সমর্থনের দিক থেকে শক্তিশালী অবস্থানে আছেন হিলারি। বিশেষ করে শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে। কলেজ ডিগ্রি পাওয়া সম্ভাব্য শ্বেতাঙ্গ ভোটারদের সমর্থনের দিক দিয়ে ১১ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন হিলারি। এএফপি, বিবিসি

এই পাতার আরো খবর
up-arrow