Bangladesh Pratidin

ফোকাস

  • নিকোলাস মাদুরো ফের ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন
  • চাটাইয়ে মুড়িয়ে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান!
  • কেরানীগঞ্জে বাচ্চু হত্যায় ৩ জনের ফাঁসি, ৭ জনের যাবজ্জীবন
  • ৩ মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে খালেদার আবেদন
  • হালদা নদীর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা ভাঙার নির্দেশ
  • আফগানিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা
  • কাদেরের বক্তব্যে একতরফা নির্বাচনের ইঙ্গিত: রিজভী
  • কলারোয়া সীমান্তে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ
  • বিএনপি নির্বাচনে না এলেও গণতন্ত্র অব্যাহত থাকবে: কাদের
প্রকাশ : রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৪৩
ঐতিহ্য
রায়েরকাঠি জমিদারবাড়ি ৪০০ বছরের ঐতিহ্য
তানভীর আহমেদ, পিরোজপুর
রায়েরকাঠি জমিদারবাড়ি ৪০০ বছরের ঐতিহ্য

চারশ  বছরের ঐতিহ্য বহন করে টিকে রয়েছে পিরোজপুরের রায়েরকাঠি জমিদারবাড়ি। প্রাচীন মঠ আর নিপুণ কারুকার্য খচিত এই জমিদারবাড়িতে আছে মোগল শাসনামলের নির্মিত (সাড়ে তিনশ’ বছরের পুরনো) কালী ও শিব মন্দির।

এ ছাড়াও এ জমিদার বাড়িতে সংরক্ষিত আছে কষ্টিপাথরের সাড়ে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্যের শিব লিঙ্গ। যেটি জেলা প্রশাসনের তথ্যানুযায়ী, উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ শিবমূর্তি। পিরোজপুর শহর থেকে তিন কিলোমিটার উত্তরে রায়েরকাঠি গ্রামেই এ জমিদারবাড়িটি। খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মূল জমিদারবাড়িটি প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হলেও প্রাচীন ঐতিহাস-ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে জরাজীর্ণ কালীমন্দির, শিবমন্দিরসহ ৭৫ ফুট উচ্চতার ১১টি মঠ। ইট-সুরকি দিয়ে নিখুঁত নির্মাণশৈলীর মঠগুলো মোগল স্থাপত্যের নিদর্শন। ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে রাজা রুদ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী এ বাড়ি ও এ মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। নির্মাণ করা হয় রাজভবন, অতিথিশালা, নাট্যশালা, নহবত্খানাসহ অনেক মন্দির। সব মিলিয়ে ৪০ থেকে ৫০টি কারুকাজ করা অট্টালিকা ছিল এ বাড়িতে। এর মধ্যে ৭টির মতো প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন এখনো বিদ্যমান। এখানে ১৬৫৮ সালে নির্মাণ করা হয় কালীমন্দির। মন্দিরে রয়েছে ২৫ মন ওজনের শিব লিঙ্গের কষ্টিপাথরের মূর্তি। যেটি উপমহাদেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ। এক সময় এ মন্দিরে মহিষ বলি দিয়ে কালীপূজা হতো। এখন প্রতি বছর পাঁঠা বলি দিয়ে কালীপূজা উদযাপন করা হয়। জানা গেছে, জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর থেকে হারাতে থাকে এ বাড়ির জৌলুস। তবে এখনো টিকে থাকা কয়েকটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের শৈল্পিক স্থাপনাগুলো সেই জৌলুসের প্রমাণ বহন করে। এসব স্থাপনা সংরক্ষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকেও বরাদ্দ দেওয়া আছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow