Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:৫৪
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্টিফিকেট বাণিজ্য
——— আবদুল মান্নান
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্টিফিকেট বাণিজ্য

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেছেন, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢালাওভাবে সার্টিফিকেট বাণিজ্য করছে। এসবের প্রমাণও রয়েছে আমাদের কাছে। দেশে বর্তমানে ৮৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধিকাংশের প্রবণতা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়কে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে চালু রাখা। এদের কাজই হচ্ছে সার্টিফিকেট বাণিজ্য করা। তবে কিছু ভালো মানের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে। অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ই কথা দিয়ে কথা রাখেনি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি। মাত্র ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে গেছে। যারা যায়নি আমরা তাদের আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছি। যারা আইন মেনে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে না, স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে গড়িমসি করছে তাদের ছাত্র ভর্তি বন্ধ করে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি বলেন, আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু অনিয়ম নিয়ে ইউজিসি জিরো টলারেন্সে থাকতে চায়। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যদিও আইনগত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর ইউজিসিকে নির্ভর করতে হয়। কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন নিতে পারে না। এজন্য আইনগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে ইউজিসির। দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও শিক্ষার মান উন্নয়নে ইউজিসিকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে মঞ্জুরি কমিশনকে একটি উচ্চশিক্ষা কমিশনে উন্নীত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তাহলে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা আমলে নিয়ে তত্ক্ষণাৎ সমাধান করা যাবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনিয়ম করতে সাহস পাবে না। ইউজিসির কাজ অনেক তবে এ ক্ষেত্রে জনবলের স্বল্পতা রয়েছে। তিনি বলেন, আতঙ্কের বিষয় হচ্ছে ইদানীং কিছু কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ন উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যার নতুন উপসর্গ। এ উপসর্গ টিকতে দেওয়া হবে না।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow