Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:৫৫
নিয়ম না মানলে বেশি দিন নয়
——— নুরুল ইসলাম নাহিদ
নিয়ম না মানলে বেশি দিন নয়

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, নিয়ম না মানা বিশ্ববিদ্যালয় বেশি দিন চলতে পারবে না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতিষ্ঠার সময় বলেছিল তারা তিন বছরের মধ্যে যাবতীয় শর্ত পূরণ করবে। কিন্তু প্রকৃত অবস্থা হচ্ছে, ১৫ বছরের মধ্যেও অনেক বিশ্ববিদ্যালয় শর্ত পূরণ করতে পারেনি। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। নাহিদ বলেন, আমি যখন মন্ত্রীর দায়িত্ব নিই তখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ৫৬টি। আমরা চেষ্টা করছি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে একটা নিয়ম ও জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আসার। শিক্ষা ক্ষেত্রে অনিয়ম, বাণিজ্য করলে রেহাই দেওয়া হবে না। কিছু কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকেট বাণিজ্য করছে। এদের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সারা দেশে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি অবাধে সনদ বাণিজ্য চালিয়ে এসেছে। আমি পরিষ্কার বলে দিতে চাই, কেউ শিক্ষা নিয়ে বাণিজ্য করতে পারবে না। বাণিজ্যিক মানসিকতা নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালাতে পারবে না। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি। কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ঠিকানায় গেছে। সেখানে প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাসহ নানা অবকাঠামো তৈরি করেছে। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি শিক্ষার ভাবগাম্ভীর্য না থাকে, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকে তবে সেটি উচ্চশিক্ষার বিদ্যাপীঠ হতে পারে না। আমরা সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পার্থক্য করি না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে গুরুত্ব দিয়ে সরকারের নানা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে তাদের। বিশ্বব্যাংক, এডিবির কাছ থেকে ঋণ নিয়েও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সচেষ্ট সরকার। অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ম নেমে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে না। তারা আদালতের স্টে অর্ডার নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু এভাবে আর বেশি দিন তারা চলতে পারবে না। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে উচ্চশিক্ষা কমিশনে রূপান্তরের ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ছয়টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য ইউজিসি অ্যাক্ট করা হয়েছিল। কিন্তু এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বেড়েছে অনেক। ইউজিসির সক্ষমতা বৃদ্ধির সময় এসেছে। শিগগিরই এ সম্পর্কিত একটি প্রস্তাবনা মন্ত্রিসভায় উত্থাপনা করা হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow