Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২১ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৪৩
নতুন নির্বাচনের সিদ্ধান্ত চাই
মির্জা ফখরুল ইসলাম
নতুন নির্বাচনের সিদ্ধান্ত চাই

আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে শিগগিরই নতুন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডাক আসবে বলে প্রত্যাশা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রীও বলেছিলেন, নিয়ম রক্ষার নির্বাচন হলেও পরবর্তীতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবার অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের উদ্যোগ নেবেন। আমরা এই সম্মেলনের মাধ্যমে প্রত্যাশা করব, সেই সিদ্ধান্তই নেবে আওয়ামী লীগ। সেটা খুবই দ্রুত। একই সঙ্গে সম্মেলনের সফলতাও কামনা করছি। ’ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের এই নেতা। তিনি বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন আজ অনুপস্থিত। দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফেরাতে এই কাউন্সিল ভূমিকা পালন করতে পারে। আওয়ামী লীগের যেরকম অতীত ভূমিকা রয়েছে, তারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। আবার দুর্ভাগ্যও হচ্ছে, তাদের হাতেই বার বার গণতন্ত্র আহত হয়েছে। গণতন্ত্র পথ হারিয়েছে। গণতন্ত্র পরাজিত হয়েছে। এখন আমরা তাদের হাত দিয়েই গণতন্ত্রের উত্তরণ চাই। এই কাউন্সিল সেই ভূমিকা পালন করবে বলে জাতি প্রত্যাশা করে। ’

বর্তমান সংকট সৃষ্টির জন্য ক্ষমতাসীন দলকে দায়ী করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘এ থেকে উত্তরণে সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে। দেশে যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, যে সংকট তৈরি হয়েছে, এ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যেহেতু আওয়ামী লীগ এখন সরকারে আছে, উদ্যোগটা তাদেরই গ্রহণ করা উচিত। মানুষের মৌলিক মানবাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্বটাও তাদেরই পালন করতে হবে। আমরা আশা করব, এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে তারা (আওয়ামী লীগ) সেই লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। ’ আওয়ামী লীগ জাঁক-জমকপূর্ণভাবে সম্মেলন করছে। তুলনামূলকভাবে বিএনপির সম্মেলন এমন জাঁকজমকপূর্ণ হয়নি। এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, দুইদিন আগেও আমরা জানি না সম্মেলন কোথায় হবে। আমাদের পোস্টার-লিফলেটেও সম্মেলনের স্থান সঠিকভাবে উল্লেখ করতে পারিনি। শেষ বেলায় সম্মেলনের অনুমতি মিললেও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি।   তিনি বলেন, ‘বিএনপি তো দীর্ঘকাল ধরে অভিযোগ করে আসছে, বিএনপিকে শুধু নয়, বিরোধী দলকে কোনো গণতান্ত্রিক পরিসর বা স্পেস দেওয়া হচ্ছে না। শুধু সভা-সমাবেশের ব্যাপারেই নয়, সব ক্ষেত্রেই এখন গণতন্ত্র সঙ্কুচিত শুধু নয়, গণতন্ত্র প্রায় নির্বাসিত হয়ে গেছে। সেই কারণে আমরা মনে করি, আওয়ামী লীগ নিজেদের জন্য যে কাজটি করছে, সেই কাজটি অন্য রাজনৈতিক দলকে করার সুযোগ দেবে—এটাই আমরা আশা করি। ’

এই পাতার আরো খবর
up-arrow