Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:১৩
সাংবাদিক নাজমুলের আরও দুই মামলায় জামিন
বাকি রইল প্যান্ট চুরির মামলা
আদালত প্রতিবেদক

ঢাকার আশুলিয়া থানায় দায়ের করা আরও দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাভার প্রতিনিধি নাজমুল হুদা। গতকাল ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম কুদ্দুস জামান এ জামিন আদেশ দেন।

এর আগে, আশুলিয়া থানায় করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলাসহ আরও তিন মামলায় জামিন পান সাংবাদিক নাজমুল। এ নিয়ে পাঁচটি মামলায় জামিন পেলেন তিনি। তবে প্যান্ট চুরির মামলায় জামিন না হওয়ায় এখনই মুক্তি মিলছে না নাজমুলের। এ মামলাটি জামিন শুনানির অপেক্ষায় আছে। এদিকে, ঢাকার কেরানীগঞ্জের কারাগারে মুক্তির প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছেন সাংবাদিক নাজমুল হুদা। পারিবারিক সূত্র বলছে, কারাগারে ভালো নেই অসুস্থ নাজমুল হুদা। সকালে পুরনো আটার আধপোড়া একটি রুটি ও ছোট এক টুকরা গুড় জোটে ভাগ্যে। দুপুরে নিম্নমানের গন্ধযুক্ত চালের ভাত, সামান্য আলুভর্তা ও বুড়ো লাউয়ের ঝোল। রাতে ভাতের সঙ্গে সামান্য ডাল ও ভাজি দেওয়া হয়। এ ছাড়া মাঝেমধ্যে দেওয়া হয় মাছ-মাংসের খুবই ছোট টুকরা। রান্নায় লবণ পর্যন্ত ঠিকমতো দেওয়া হয় না। এ ব্যাপারে নাজমুল হুদার আইনজীবী অ্যাডভোকেট তুহিন হাওলাদার বলেন, হয়রানিমূলক ছয়টি মামলার মধ্যে পাঁচটিতে ইতিমধ্যে তিনি জামিন পেয়েছেন। তবে প্যান্ট চুরির মামলাটিতে এখনো জামিন হয়নি। এ মামলায় যতদিন জামিন না পাবেন, ততদিন তাকে কারাগারে থাকতে হবে।

আইনজীবী আরও বলেন, ঢাকার আশুলিয়া থানায় গত বছর করা প্যান্ট চুরির মামলাসহ আরও পাঁচটি পৃথক মামলায় সন্দেহ করে সাংবাদিক নাজমুলকে আসামি বানিয়েছে পুলিশ। এসব মামলার বাদীরা নাজমুল হুদাকে এজাহারে আসামি করেননি। এ ছাড়া তারা অভিযোগের কোথাও সন্দেহের তালিকায়ও রাখেননি তাকে। তবু আশুলিয়া পুলিশের সন্দেহ হয় সাংবাদিক নাজমুল ওই প্যান্ট চুরিসহ পাঁচ মামলার ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ায় তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে রিপোর্ট করায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাভার প্রতিনিধি নাজমুল হুদাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনসহ ছয়টি মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তাদের নিষেধ অমান্য করে সংবাদ প্রচার করায় তাদের আক্রোশের শিকার হন সাংবাদিক নাজমুল হুদা। গত বছর ২৩ ডিসেম্বর রাতে আশুলিয়া থানা পুলিশ বাদী হয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাভার প্রতিনিধি নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা করে। এর কিছুক্ষণ পরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর পুলিশ গত বছর করা ঢাকার আশুলিয়া থানায় প্যান্ট চুরির মামলাসহ আরও পাঁচটি পৃথক মামলায় নাজমুলকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে আদালতে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow