Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০২:২৮
পাটের তিনটি জিনোম কোড বাংলাদেশের
নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, পাটের তিনটি জিনোম কোড এখন বাংলাদেশের। আমেরিকার ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন তিনটি জিনোমের কোড নম্বর দিয়েছে বাংলাদেশকে।

এর ফলে পাটে যুগান্তকারী সাফল্য আসবে। গতকাল জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এ কথা জানান। তিনি বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের গবেষণার ফলাফল গত ৩০ জানুয়ারি বিশ্বখ্যাত জার্নাল ন্যাচার প্লান্টে প্রকাশিত হওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, অধ্যাপক মাকসুদুলের নেতৃত্বে ম্যাক্রোফমিনা ফাসিওলিনা নামের এক ছত্রাকের জিন-নকশা উন্মোচিত হয়, যা পাটসহ প্রায় ৫০০ উদ্ভিদের স্বাভাবিক বিকাশে বাধা দেয়। ২০১৩ সালের ১৮ আগস্ট মাকসুদুলকে পাশে নিয়েই বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের সাফল্যের খবর জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঘোষণা করেন দেশি পাটের জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচনের খবর। জিনোম হলো প্রাণী বা উদ্ভিদের জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের বিন্যাস বা নকশা। গবেষণাগারে এই জিন বিন্যাস অদল-বদল করে উন্নত জাতের পাট উদ্ভাবন সম্ভব। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, পাটের জিন-নকশা উন্মোচনের ফলে পাটের নতুন জাত উদ্ভাবনের পাশাপাশি গুণগতমান ও উৎপাদন বিপুল পরিমাণে বাড়ানো সম্ভব। এতে পাট পচাতে কম সময় লাগবে, আঁশ দিয়ে জৈব জ্বালানি ও ওষুধ তৈরি করা সম্ভব হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow