Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:২৮
ঢাকার চার নদী ঘিরে অভিযান
টার্গেট বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালুনদীকে দূষণমুক্ত করা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর চারপাশের নদ-নদী সংরক্ষণে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে কাজ করবে নৌবাহিনী, বিআইডব্লিউটিএসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর জন্যও সিটি করপোরেশন আলাদাভাবে কাজ করবে। ঢাকা সিটি করপোরেশন দক্ষিণের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘ঢাকার নদ-নদী ও খাল সংরক্ষণে আমরা দীর্ঘমেয়াদি কাজ করতে চাই। যেভাবে গুলিস্তান-মতিঝিলের ফুটপাথ পথচারীদের জন্য অফিস চলাকালে উদ্ধার করা হয়েছে একইভাবে কাজ করা হবে খাল উদ্ধারে। ’ তিনি বলেন, ‘শুধু খাল উদ্ধার নয়, নদ-নদীর বিষয়েও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দিকনির্দেশনা। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে সরকারের অন্য সংস্থাগুলোর সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। ’

এদিকে বুড়িগঙ্গার দূষণ রোধে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ও কাজ শুরু করেছে। মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বুড়িগঙ্গার দূষণ রোধে অভিযান পরিচালনা করেছেন। এ অভিযান পরিবেশ অধিদফতরের উদ্যোগে অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে পরিবেশ দূষণের কারণে ঢাকার চার নদ-নদীর অবস্থা ভয়াবহ। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বর্জ্য বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালুতে পড়ার কারণে এ নদ-নদীগুলোর অবস্থা ভয়াবহ। দুর্গন্ধ ও পানির রং নোংরা। নদ-নদীগুলোর দুই পাশে স্থাপিত কারখানার বর্জ্য দীর্ঘদিন থেকে দূষণ সৃষ্টি করার পরও সরকারি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি নদ-নদীর দুই পাড় সংরক্ষণেও আজ অবধি বাস্তবমুখী কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বিভিন্ন সময় পরিকল্পনা করা হয়েছিল দখল ও দূষণ রোধে নদ-নদী তীরে হাঁটাপথ তৈরির। কিন্তু সব পরিকল্পনাই ফাইলে বন্দী। সরকারের এখনকার পরিকল্পনা নদ-নদী থেকে বর্জ্য অপসারণ। পরিবেশবিদদের মতে, শুধু বর্জ্য অপসারণ করলে হবে না। ভবিষ্যতে  যাতে কেউ একই অবস্থা তৈরি করতে না পারে সেদিকেও বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজনে হাঁটাপথের পাশাপাশি যান চলাচলের রাস্তাও করা যেতে পারে। তুরাগ তীরে কয়েক দফা হাঁটাপথ নির্মাণের পদক্ষেপ নেওয়ার পর আজ অবধি তা বাস্তব রূপ লাভ করেনি। কাঁচপুর শীতলক্ষ্যা ব্রিজের দুই পাশে এখনো বালু উত্তোলনকারীদের দাপট রয়ে গেছে।

এমনকি নারায়ণগঞ্জে সাত খুন মামলার মূল আসামির বালুমহাল নদীর ভিতরে দখল অব্যাহত রেখেছে। এ কারণে পরিবেশবাদীদের মতে, সিটি করপোরেশনকে দীর্ঘমেয়াদি কাজ করতে হবে নদ-নদী সংরক্ষণে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow