Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৪১
ঐতিহ্য
বাউল মেলা মেঘনার তীরে
নরসিংদী প্রতিনিধি
বাউল মেলা মেঘনার তীরে

বাউল মেলা বসেছে নরসিংদীর মেঘনার তীরে। বাউল ঠাকুরের আখড়া ধামকে ঘিরে এ মেলায় ধর্ম-বর্ণ-জাত-পাত নির্বিশেষে হাজার হাজার নারী-পুরুষ মিলিত হয়েছেন।

মানুষের ঢলে জমজমাট হয়ে উঠেছে সপ্তাহব্যাপী আয়োজন। সংশ্লিষ্টরা জানান, ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আয়োজিত এ মেলা ৬০০ বছরের ঐতিহ্যকে ধারণ করছে। নরসিংদীর মেঘনার তীরে অবস্থিত বাউল ঠাকুরের আখড়া ধামকে ঘিরে প্রতি বছর এ বাউলের মেলা বসে। এতে ভারত-নেপালসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বাউল সাধকরাও অংশ নেন। এবারও রাজধানী ঢাকাসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু এ মেলা দেখতে এসেছেন। আয়োজকদের সূত্রে জানা গেছে, মেলার তৃতীয় দিন গতকাল মাঘী পূর্ণিমায় বাউল ঠাকুরের মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলার উদ্যোক্তা ডা. সাধন বাউল, মৃদুল বাউল মিণ্টু ও প্রাণেশ বাউল ঝণ্টু এই মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। মেলায় আমদানি হয়েছে বাঙালির আদি অকৃত্রিম কৃষি উপকরণ, কৃষিপণ্য, কৃষিজাত দ্রব্য, গৃহের আসবাবপত্র, গৃহস্থালির তৈজসপত্র, মাটির তৈরি জিনিসপত্র, খেলনা, বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন দ্রব্য, খাদ্যদ্রব্য, ঢেঁকি, গাইল, ছেহাইট, চঙ্গ, লাঙ্গল-জোয়াল, উমবাড়ী, লাঙ্গলের ঈশ, ফাল, আঁচড়া এবং ছেলেমেয়েদের প্রাচীন খেলনা, বাঁশি ইত্যাদি। বাউল আখড়ার তত্ত্বাবধায়ক ডা. প্রাণেশ কুমার বাউল ঝণ্টু বলেন, দেশ ও বিদেশ থেকে কয়েকশ বাউল ও আমাদের অনুসারীরা এই মেলায় যোগ দিয়েছেন। মানবের মিলনের তাগিদে তারা সবাই এখানে এসেছেন। এখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণের কোনো ভেদাভেদ নেই। আমাদের বিশ্বাস, একদিন সব ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে পৃথিবীর সবাই একটি ধর্মে মিলিত হবেন— সেটা হলো মানব ধর্ম।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow