Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৪১
দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী : রাষ্ট্রপতি
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে সশস্ত্র  বাহিনী : রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ গতকাল রাজশাহী সেনানিবাসস্থ বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারে ২য় কোর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে কেক কাটেন —বাংলাদেশ প্রতিদিন

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা শুধু দেশের ভিতরেই নয়, বিশ্ব পরিমণ্ডলেও কর্মদক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন। সেবা ও কর্তব্যপরায়ণতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জনগণের শ্রদ্ধা ও আস্থা অর্জন করেছেন।

দেশ ও জাতির প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জনকল্যাণমূলক কাজে অবদান রাখতে হবে।

গতকাল রাজশাহী সেনানিবাসে ‘বাংলাদেশ ইনফ্যান্টি রেজিমেন্ট সেন্টারে’র দ্বিতীয় বীর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, আধুনিক, যুগোপযোগী ও শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠন বর্তমান সরকারের একটি অগ্রাধিকার। বর্তমান সরকারের ‘রূপকল্প ২০২১’ এর আলোকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রস্তুত করা হয়েছে। ফোর্সেস গোল অনুযায়ী সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামো বিন্যাস ও পরিবর্তনের পাশাপাশি আধুনিকায়ন প্রক্রিয়াও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ২০১৩ সালে ১৭ পদাতিক ডিভিশন এবং ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিগত বছরে ১০ পদাতিক ডিভিশন, ৯৭ পদাতিক ব্রিগেড এবং ১০ আর্টিলারি ব্রিগেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার মধ্যবর্তী এলাকায় লেবুখালী সেনানিবাস স্থাপন, পদ্মা সেতু এলাকায় সেনানিবাস স্থাপনের লক্ষ্যে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নসহ অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। নোয়াখালী জেলার হাতিয়ায় স্বর্ণদ্বীপ এলাকায় সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইনে একটি সেনানিবাস স্থাপনের কার্যক্রম চলছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। সাংগঠনিক পরিধি বৃদ্ধির পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সমর সক্ষমতা বাড়াতে সরঞ্জামাদি কেনা হয়েছে। তিনি বলেন, এখন সেনাবাহিনীর সব সদস্য ন্যূনতম উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা অর্জন করছে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার চোখে পড়ার মতো। সেনাসদস্য এবং পরিবারবর্গের সুচিকিৎসার জন্য বিভিন্ন সামরিক হাসপাতালের জনবল কাঠামো এবং বেড সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল স্থাপন, বিভিন্ন সেনানিবাসে বিশেষ শিশুদের জন্য ‘প্রয়াস’ স্কুল স্থাপন সেনাবাহিনীর জন্য বর্তমান সরকারের একটি তাৎপর্যপূর্ণ অবদান।

পুনর্মিলনী প্যারেডের পর রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রিত অতিথি ও ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের সব সদস্যের সঙ্গে প্রীতিভোজে অংশ নেন। এর আগে রাষ্ট্রপতি রাজশাহী সেনানিবাসে এসে পৌঁছালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, বিআইআরসির কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশরাফউল কাদের ও ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা তাকে অভ্যর্থনা জানান। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, নৌ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, এমপিবৃন্দ, সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দসহ এবং অন্যান্য পদবির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow