Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:১৭
ছেলেকে বিলে ছুড়ে স্ত্রীকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় চাঞ্চল্যকর ডাবল মার্ডারের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামি নজরুল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি জানিয়েছেন, স্ত্রী রহিমাকে পানিতে চুবিয়ে ও বিভিন্নভাবে আঘাত করে হত্যা করেছেন।

আর তার শিশুপুত্র আমিরুলকে বিলের পানিতে ছুড়ে ফেলে হত্যা করেছেন। গতকাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জগলুল হকের আদালতে তিনি এ জবানবন্দি দেন। এর আগে পুলিশের কাছেও এ স্বীকারোক্তি দেন। প্রসঙ্গত, পাকুন্দিয়া উপজেলার পাবদা গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী রহিমার লাশ গত ২১ জানুয়ারি পাকুন্দিয়ার মিরারটেক বিল থেকে এবং ৩১ জানুয়ারি একই স্থান থেকে তার শিশুপুত্র আমিরুলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে রহিমার কথিত স্বামী একই গ্রামের নজরুল এবং তার বাবা-মা পলাতক ছিলেন।

পাকুন্দিয়া উপজেলার আহুতিয়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই মতিউর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রাম থেকে নজরুল ইসলাম এবং গজারিয়া গ্রাম থেকে তার বাবা সোহরাব উদ্দিন ও মা মদিনা আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে নজরুল পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি ১৩ জানুয়ারি রহিমা ও শিশুকে নিয়ে অটোরিকশায় প্রথমে পাকুন্দিয়ার মঠখোলা যান, তারপর নরসিংদী যান। সারা দিন ঘোরাঘুরি করে পাকুন্দিয়ার মিরারটেক বিলে এনে তাদের হত্যা করেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী নজরুলের সঙ্গে রহিমার বিয়ে না হলেও শারীরিক সম্পর্ক ছিল। এর ফলে রহিমার গর্ভে শিশু আমিরুলের জন্ম হয়। প্রথমে নজরুল তাকে মেনে না নিলেও পরে এলাকাবাসীর চাপে মেনে নিতে বাধ্য হন। এরই জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow