Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০৯
অষ্টম কলাম
যাত্রীর পেটে তিন কেজি সোনা
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও চট্টগ্রাম

শাহজালাল ও শাহ আমানত বিমানবন্দরে দুই যাত্রীর পেট থেকে প্রায় তিন কেজি সোনা উদ্ধার করেছেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের শুল্ক কর্মকর্তারা। এ ছাড়া চার্জার লাইটের ব্যাটারি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় দুই কেজি সোনা।

এসব ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থকে আসা আনোয়ার হোসেন (২৬) নামে এক যুবকের পেট থেকে সোনার ১৫টি বার বের করা হয়। এ ছাড়া তার কাছ থেকে সোনার আরও চারটি বার উদ্ধার করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। গতকাল সকাল ১০টার দিকে ফ্লাই দুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে আনোয়ার চট্টগ্রাম পৌঁছেন।

বিমানবন্দরে দায়িত্বরত শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের সহকারী পরিচালক তারেক মাহমুদ বলেন, বিমানবন্দরে লাগেজ তল্লাশির সময় সেখানে সোনার চারটি বার পাওয়া যায়। এতে আনোয়ারের প্রতি সন্দেহ জাগে কর্মকর্তাদের। জিজ্ঞাসাবাদে আনোয়ার তার পেটে ১৫টি বার রাখার কথা স্বীকার করেন। পরে ওষুধ খাইয়ে আনোয়ারের পেট থেকে সোনার বারগুলো বের করা হয়। উদ্ধার হওয়া সোনার ১৯টি বারের ওজন প্রায় ২ কেজি এবং এর মূল্য ১ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা মূল্যের তিন কেজি সোনাসহ দুজনকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস। গতকাল পৃথক দুটি ফ্লাইটের দুই যাত্রীর কাছ থেকে সোনাগুলো জব্দ করা হয় বলে জানান ঢাকা কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার (এসি) এ এইচ এম আহসানুল কবির। আটক দুই যাত্রী হলেন মুন্সীগঞ্জের মামুন হোসেইন ও চট্টগ্রামের মোসলেম উদ্দিন। আহসানুল কবির বলেন, মালয়েশিয়া থেকে আসা মালিন্দো এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন মামুন হোসেইন। তার সঙ্গে থাকা তিনটি চার্জার লাইটের ব্যাটারি থেকে ৬টি করে মোট ১৮টি সোনার বার জব্দ করা হয়। মামুনের কাছ থেকে জব্দ করা এক কেজি ৮০০ গ্রাম সোনার বাজারমূল্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা। অন্যদিকে, ওমানের মাস্কাট থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় আসেন মোসলেম উদ্দিন। শাহজালালে অবতরণের পর তার পেট এক্স-রে করে সোনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। পরে বিমানবন্দরের টয়লেটে নিয়ে তার কাছ থেকে ৮টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৪৬ লাখ টাকা। আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান এসপি আহসানুল কবির।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow