Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৩৬
অষ্টম কলাম
দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে বাংলাদেশ
প্রতিদিন ডেস্ক

বাংলাদেশ দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশনে যুক্ত হয়েছে। তবে এ সংযোগ বাণিজ্যিকভাবে শুরু করতে আরও সময় প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)।

খবর বিডিনিউজ।

কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুস সালাম খান বলেন, দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশনে যুক্ত হয়েছে। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সি-মি-ইউ-৫ কনসোর্টিয়ামের বৈঠকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত হওয়ার বিষয়টি মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের পরীক্ষামূলক সংযোগ চালু হলো। বাণিজ্যিকভাবে এ সংযোগ শুরু করতে আরও সময় প্রয়োজন হবে জানিয়ে সালাম বলেন, ঢাকা থেকে কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশনের ট্রান্সমিশন লিংক সম্পূর্ণ হওয়ার ওপর এটি নির্ভর করছে। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ অতিরিক্ত ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইটের (জিবি) বেশি ব্যান্ডউইডথ পাচ্ছে বলে জানায় বিএসসিসিএল। এর আগে ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সাবমেরিন ক্যাবল ‘সি-মি-ইউ-৪’ এ যুক্ত হয়, যার মাধ্যমে প্রায় ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ পাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। সি-মি-ইউ-৪ ছাড়াও বাংলাদেশের সঙ্গে ছয়টি বিকল্প সাবমেরিন ক্যাবল (আইটিসি বা ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল ক্যাবল) সংযুক্ত রয়েছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণ ৪০০ জিবিপিএসের বেশি। এই ৪০০ জিবিপিএসের মধ্যে ১২০ জিবিপিএস রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বিএসসিসিএলের মাধ্যমে আসে। বাকি ২৮০ জিবিপিএস আইটিসির ব্যান্ডউইথ, যা ভারত থেকে আমদানি করা হয়। একটি কনসোর্টিয়ামের আওতায় সি-মি-ইউ-৫ সাবমেরিন ক্যাবলে দক্ষিণ-এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের ১৭ দেশ সংযুক্ত হচ্ছে। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনে ২০১১ সালের ডিসেম্বরে কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালের শেষ নাগাদ দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও দেশের অভ্যন্তরে ক্যাবল স্থাপনের কাজ শেষ না হওয়ায় চলতি বছরের শুরুতে তা হবে বলে জানিয়েছিল বিএসসিসিএল।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow