Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৩৮
কৃষি সংবাদ
পাহাড়ে বাউকুলের সমাহার
রাঙামাটি প্রতিনিধি
পাহাড়ে বাউকুলের সমাহার

রাঙামাটি সাপছড়ি ইউনিয়নের শুকুরছড়ির বোধিপুর। গ্রাম জুড়ে শোভা পাচ্ছে কেবল বাউকুল আর বাউকুল।

এ ফলের বাম্পার ফলন হয়েছে এবার। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বোধিপুরের গাছে গাছে প্রচুর ফল ধরেছে। কৃষি বিভাগ বলছে, গ্রামের কৃষকরা পাহাড়ি টিলায় টিলায় চাষ বাউকুল করেন। বাদুর ও পাখির কবল থেকে রক্ষা করতে জাল দিয়ে ঢেকে রাখা হয় বাগান। সঠিক পরিচর্যার কারণে এবার এ ফলের বাম্পার ফলন হয়েছে। এরই মধ্যে চাষিরা বাগানের অর্ধেক বাউকুল আগাম বিক্রি করেছেন। তাতে তাদের সব খরচ বাদে আয় হয়েছে অর্ধ লক্ষাধিক টাকা। বাজারে এ ফলের চাহিদা অনেক, দামও ভালো। বোধিপুরের উৎপাদিত বাউকুল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হয় চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্নস্থানে। এক কেজি বাউকুল ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়। উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শান্তিময় চাকমা জানান, রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলায় বাউকুল চাষ বেড়েছে। পাহাড়ি টিলায় ৩০ থেকে ৫০ বাগানে এবার বাউকুলের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনেক কৃষকপরিবার বাউকুল চাষ করে এরই মধ্যে স্বাবলম্বী হয়েছেন। একটা বাগান থেকে ১৫০ থেকে ২০০ মণ বাউকুল উৎপাদন সম্ভব। রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক রমণী কান্তি চাকমা জানান, পাহাড়ের উঁচু জমি কুলচাষের উপযোগী হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে আধুনিক পদ্ধতিতে বাউকুল চাষ বাড়ানো সম্ভব। এখনো যে পরিমাণে অনাবাদী পতিত জমি রয়েছে তাতে কুল চাষ করা হলে বেকারত্ব যেমন কমবে, তেমনি অন্য অর্থকরী ফসলের সঙ্গে কুল চাষ বিশেষ ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, সরকারিভাবে বাউকুল চাষীদের সহযোগিতা করলে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow