Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০২:১৫
চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের গোলাগুলি, আহত আইনজীবীসহ ৫ জন
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ভবনে কর্ণফুলী ঘাটের ইজারা নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও  গোলাগুলিতে পাঁচজন আহত হয়েছে। গতকাল বিকালে এ ঘটনা ঘটে।

তবে বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে নগর ভবনে  অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সহ-সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন এবং ছাত্রলীগ নেতা আবু মুহাম্মদ মহিউদ্দিন গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ আছে, মহিউদ্দিন গ্রুপের একজন দরপত্রের ফরম কিনতে গেলে আবদুল্লাহ আল মামুন তাকে বাধা দিলে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। জানা যায়, গতকাল ছিল কর্ণফুলী নদীর ১১ নম্বর পারাপার ঘাট, ১৪ নম্বর পারাপার ঘাট, ১৫ নম্বর পারাপার ঘাট, মাতবর ঘাট, ৮ নম্বর বিওসি ঘাট, অভয়মিত্র ঘাট, তিন টেঙ্গে ঘাট, চাক্তাই ঘাট, লবণঘাট, গাইজ্জ্যের ঘাটসহ মোট ১২টি ঘাটের ইজারার ফরম বিক্রির শেষ দিন। তাই সকাল থেকেই দুই গ্রুপের উত্তেজনা চলছিল। বিকাল ৩টায় দুই পক্ষের মধ্যে এক দফা হাতাহাতি হয়। এ সময় নগর ভবনের ভিতরে ভাঙচুরেরও ঘটনা ঘটে। বিকালে নগর ভবনের ভিতরে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। বাইরে রাস্তায় দুই পক্ষের গুলি বিনিময় হয়। ছাত্রলীগ নেতা ইয়াছির আরাফাত বলেন, ছাত্রলীগ নামধারী একটি পক্ষ মেয়রের অর্জনগুলোকে ম্লান করে দিচ্ছে। বিষয়টি ছাত্রলীগ নেতাদের ভাবা উচিত। চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুপুরের দিকে কয়েকজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে শুনেছি। এগুলো টেন্ডারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow