Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:০২
হোতারা ঘুরছে প্রকাশ্যে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ!
রাজধানীতে সাবেক কৃষি কর্মকর্তা হত্যা
মাহবুব মমতাজী

রাজধানীর মানিকনগরে গত বছরের ১৯ এপ্রিল রাতে সাবেক কৃষি কর্মকর্তা আবদুস শুক্কুর (৬১) হত্যাকাণ্ডের মূল হোতারা এখনো ধরা পড়েনি। অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু রহস্যজনকভাবে ডিবির লোকজন তাদের খুঁজে পাচ্ছে না।

কৃষি কর্মকর্তা আবদুস শুক্কুর ছিলেন ফার্মগেট-সংলগ্ন খামারবাড়িতে অবস্থিত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের খাদ্যশস্য বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উপজেলার শষলীপাড়ায়। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। তার ভায়রাভাই সালামত উল্লাহ এ প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ‘এ হত্যা ঘটনার মূল হোতারা এলাকায় প্রকাশ্যে দাপিয়ে বেড়ালেও পুলিশ বা ডিবি তাদের ধরছে না। উল্টো মামলার বাদীপক্ষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি পূর্ব) সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইকবাল হোসাইন। ’ অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘ওই ঘটনায় যারা জড়িত তারা প্রত্যেকে ধরা পড়বে, কেউ মুক্তি পাবে না। টাকা নেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং এ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। ’ পুলিশ ও শুক্কুরের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাবেক কৃষি কর্মকর্তা শুক্কুর ২৯২ দক্ষিণ মুগদাপাড়ায় জমি কিনে ভবন নির্মাণের কাজ করছিলেন। হামলা ঘটনার দুই দিন আগে তিনি তিন লাখ টাকা নিয়ে নির্মাণসামগ্রী কিনতে যাচ্ছিলেন। এ সময় মানিকনগরের ৬ নম্বর ভবনের সামনে আট-দশজন সন্ত্রাসী শুক্কুরের পথরোধ করে। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় শুক্কুরকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ত্রাসীদের হামলায় তার রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরবর্তীতে তাকে শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর দুই দিন পর মুগদা থানায় একটি মামলা করা হলে পুলিশ মন্টু, মোহাম্মদ আলী, সোহরাব ও হাফিজ আবদুল্লাহকে আটক করে। এদের মধ্যে হাফিজ আবদুল্লাহ ও মোহাম্মদ আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ছাড়া সোহরাব ও হাফিজ এখন জামিনে আছেন। তবে মামলার মূল আসামির কেউ ধরা পড়েনি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow