Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৪৬
আজ বামদের অর্ধদিবস হরতালে বিএনপির সমর্থন
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ ঢাকা মহানগরীতে সকাল ৬টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অর্ধদিবস হরতাল পালনের আহ্বান জানিয়েছে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা ও সিপিবি-বাসদ। এ ছাড়াও জেলায় জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তারা।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ থেকে তাদের ডাকা হরতালে সমর্থন জানিয়েছে জাতীয় গণফ্রন্ট, নাগরিক ঐক্য এবং প্রগতিশীল ছাত্র জোট। এ ছাড়াও বিএনপি, তেল, গ্যাস খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি এ হরতালে নৈতিক সমর্থন জানিয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল তোপখানা রোডে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ। এ সময় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ফকরুদ্দিন আতিক কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি অযৌক্তিক ও গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। এটি বাতিল করতে হবে। তিনি বলেন, এক বছরে দুইবার দাম বাড়ানোর কোনো যুক্তি নেই। বিইআরসির শুনানিতে প্রমাণিত হয়েছে গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিটি সংস্থা লাভজনক অবস্থায়। গত ৫ বছরে সরকার গ্যাস খাত থেকে আয় করেছে ২৬ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে মুনাফার পরিমাণ ৩২০০ কোটি টাকা। পেট্রোবাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী গ্যাস উন্নয়ন তহবিলে জমা আছে আরও ৩২৭২ কোটি টাকা। গ্যাসের ওপর বিপুল করও আদায় করছে সরকার। তিনি বলেন, দেশে উন্নয়নের নামে অধিকাংশ নির্মাণকাজে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করা হয়। এই অর্থ জনগণের ওপর খাজনা কিংবা গ্যাসের দাম বাড়িয়ে আদায় করা হচ্ছে। এর বেশিরভাগ টাকায় কানাডা-আমেরিকায় বিবিপাড়া গড়ে উঠছে। গতকাল মিরপুর তুলারবাগে হরতাল প্রচারকারীদের ওপর যুবলীগ নেতা-কর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন সাকি। সংবাদ সম্মেলনে গ্যাসের দাম কমানো, তেল-বিদ্যুৎসহ জ্বালানির দাম বৃদ্ধি না করা, তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সমান করা, জ্বালানি খাত থেকে মুনাফা বন্ধ করাসহ সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়।

up-arrow