Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৪৬
২৮ কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনে ব্যর্থ ২৮টি কোম্পানিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক (পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন) স্টোরাইড এবং ক্যান্সার প্রতিরোধক ওষুধের উৎপাদন ও বিপণন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে গতকাল বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। আদেশের বিষয়টি উল্লেখ করে মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের জানান, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন হয়েছে কি না সে বিষয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, শিল্প সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের মহাপরিচালক, ওষুধ উৎপাদন মালিক সমিতির সভাপতি, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও র‌্যাবের মহাপরিচালককে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তিনি জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা ‘জিএমপি (গুড ম্যানুফ্যাকটরি প্র্যাকটিস)’ অনুসরণ না করে ২৮টি কোম্পানি নিম্নমানের অ্যান্টিবায়োটিক, স্টোরাইড এবং ক্যান্সার প্রতিরোধক ওষুধ উৎপাদন ও বিপণন করে আসছে। বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। ওষুধের সঠিক মান বজায় রাখতে উৎপাদন পদ্ধতি, লোকবল, ফ্যাক্টরির অবস্থান, পদ্ধতি, প্যাকেট, বোয়িংসহ অনেক বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে জিএমপি নীতিমালায়। নীতিমালাটি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনেও স্বীকৃত। এর ফলে জিএমপি লঙ্ঘন করে ওষুধ উৎপাদন সম্ভব নয়। যে ২৮টি ওষুধ কোম্পানির তিন ধরনের ওষুধ উৎপাদন ও বিপণন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো— অ্যামিকো ফার্মাসিউটিক্যালস, এজটেক ফার্মাসিউটিক্যালস, বেঙ্গল টেকনো ফার্মা, বেনহাম ফার্মাসিউটিক্যাল, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস, ডিসেন্ট ফার্মা, ডা. টিমস ফার্মাসিউটিক্যালস, গ্লোবেক্স ফার্মাসিউটিক্যালস, গ্রীনল্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস, ইনোভা ফার্মাসিউটিক্যালস, ম্যাক্স ড্রাগস, ম্যাডিমেট ল্যাবরেটরিজ, মডার্ন ফার্মাসিউটিক্যালস, মিসটিক ফার্মাসিউটিক্যালস, ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিজ, অর্গানিক হেলথকেয়ার, ওয়েস্টার ফার্মা, প্রিমিয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, প্রাইম ফার্মাসিউটিক্যালস, সীমা ফার্মাসিউটিক্যালস, হোয়াইট হর্স ফার্মাসিউটিক্যালস, মমতাজ ফার্মাসিউটিক্যালস, ইউনিক ফার্মাসিউটিক্যালস, ইউনাইটেড ক্যামিকেল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস, এফএনএফ ফার্মাসিউটিক্যালস, টেকনো ড্রাগস. ইউনিট-১, ইউনিট-২, ইউনিট-৩। এর আগে ১৩ ফেব্রুয়ারি মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ ৩৪টি কোম্পানির উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

up-arrow