Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৩ মার্চ, ২০১৭ ২২:৫০
ভারত-চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের তাগিদ
বিসিসিআইর সেমিনারে বক্তব্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

বহুমুখী অর্থনৈতিক সুবিধা নিতে প্রতিবেশী ভারত এবং চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের তাগিদ দিয়েছেন বিশিষ্টজনরা। তারা বলেছেন, বাংলাদেশকে স্থল, আকাশ ও নৌপথের ত্রিমাত্রিক যোগাযোগ বাড়াতে আরও উদার হতে হবে।

প্রতিবেশী বড় দুই অর্থনীতি শক্তির কাছ থেকে সুবিধা নিতে হলে বর্ডার খুলতে হবে।

গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ-চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-বিসিসিসিআই আয়োজিত ‘ক্রস বর্ডার বিজনেস ডায়ালগ’ শীর্ষক সেমিনারে বিশিষ্টজনরা এসব কথা বলেন। তিন দিনব্যাপী         ‘৮ম বিডি এক্সপো অ্যান্ড ডায়ালগ-২০১৭’ এর দ্বিতীয় দিনে এই সেমিনারের আয়োজন করে বিসিসিসিআই। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। বিসিসিসিআই সভাপতি গোলাম দস্তগীর গাজীর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পদক দিলীপ বড়ুয়া, আওয়ামী লীগ সভাপতির বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, এফবিসিসিআইর প্রথম সহসভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। বিসিসিসিআইর প্রদর্শনীতে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ২১৫টি স্টল রয়েছে। আজ সমাপনী দিনেও প্রদর্শনী সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে। সেমিনারে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, বাংলাদেশকে বহুমাত্রিক অর্থনীতির সুবিধা নিতে হলে ত্রিমাত্রিক যোগাযোগ বাড়াতে আরও উদার হতে হবে। ভারত ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে হবে।

সে ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অপরাজনীতি না করে বাংলাদেশের স্থল, আকাশ ও নৌপথকে খুলে দিতে হবে। দিলীপ বড়ুয়া বলেন, শেখ হাসিনা বহুমাত্রিক যোগাযোগ বাড়াতে অনেক জোর দিয়েছেন। চীনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ নীতিতে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, ৮ বছর আগে কেউ চিন্তা করেনি বাংলাদেশে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এবং ৩৩ বিলিয়ন ইউএস ডলার রিজার্ভ থাকবে। সরকারের অর্থনীতিবান্ধব নীতির জন্যই এগুলো সম্ভব হয়েছে।

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এই সম্পর্ক অটুট রেখে আগামী দিনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিতে হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow