Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ৫ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৪ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৪১
খালেদা-ব্রিটিশমন্ত্রী বৈঠক
যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন চায়
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাজ্য সব সময় বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক প্রতিনিধিত্বশীল নির্বাচন দেখতে চায় বলে মন্তব্য প্রকাশ করেছেন ঢাকায় সফররত একজন ব্রিটিশমন্ত্রী। গতকাল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়কমন্ত্রী অলোক শর্মার বৈঠক শেষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।

গতকাল বিকালে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিকাল ৪টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি ছাড়াও আগামী সংসদ নির্বাচন, রাজনৈতিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতির বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।   বৈঠকে অংশ নেওয়া মির্জা ফখরুল আরও জানান, যুক্তরাজ্যের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় বাংলাদেশের নাগরিকরা যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, তা সমাধানের অনুরোধ জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটা প্রতিনিধিত্বশীল সরকার দেখতে চায় যুক্তরাজ্য। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক চান। বাংলাদেশে তারা একটা সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন সবসময় দেখতে চেয়েছেন, এখনো তারা সেটাই দেখতে চান। এ ছাড়া ভিসা সংক্রান্ত জরুরি একটা বিষয় নিয়ে ব্রিটিশ মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমাদের এখন সে দেশের ভিসা দিল্লি থেকে আনতে হয় যেটা এখানে আমাদের নাগরিক যারা রয়েছেন, বিশেষ করে যুক্তরাজ্যে যাদের সবসময় যাতায়াত করতে হয়, লেখা-পড়ার ক্ষেত্রে, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তাদের জন্য অনেক অসুবিধার সৃষ্টি হয়। এই বিষয়টা আমরা তাদের দৃষ্টিতে নিয়ে এসেছি। ব্রিটিশ সরকার একে অত্যন্ত গুরুত্ব দেবেন বলে আমাদের বলেছেন। সাক্ষাৎকালে মির্জা ফখরুল ছাড়াও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য রিয়াজ রহমান ও ঢাকায় যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিশেষ করে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক আরও কীভাবে উন্নত করা যায়, বাণিজ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরো কীভাবে উন্নত করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে কীভাবে যুক্তরাজ্যের অবদান বাড়ানো যায় এবং ছাত্র-ছাত্রীদের যুক্তরাজ্যে প্রশিক্ষণ, পড়াশোনার ও উচ্চ শিক্ষার বিষয়গুলোকে নিশ্চিত করবার বিষয়াদি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

up-arrow