Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৫৪

কৃষি সংবাদ

থাই পেয়ারায় স্বাবলম্বী নূরুল

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

থাই পেয়ারায় স্বাবলম্বী নূরুল

ব্যাগিং পদ্ধতিতে থাই পেয়ারা চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন কালীগঞ্জ উপজেলার গোপালরায় এলাকার কৃষক নুরুল হক। অভাব এক সময় যাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে, এখন সেই তিনিই এলাকার সচ্ছল ব্যক্তি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি শুধু সচ্ছলই নন, তার পেয়ারা বাগানে কাজ করছেন শতাধিক শ্রমিক। তারাও তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। বাগানে গিয়ে দেখা গেছে, গাছে থোকায় থোকায় পেয়ারা ধরে আছে। প্রায় ৭ ?একর জ?মি?তে থাই পেয়ারা চাষ ক?রেছেন নুরুল হক। পাইকাররা এসে ঢাকা, রাজশাহী বগুড়াসহ দেশের বি?ভিন্ন বাজা?রে নি?য়ে যা?চ্ছে এই পেয়ারা।

নুরুল হক জানান, থাই পেয়ারা বিক্রি করে বাগানের খরচ মি?টি?য়ে এ পর্যন্ত তার প্রায় ১০ লাখ টাকা আয় হয়েছে। নিজের বেশি জমি না থাকলেও লিজ নেওয়া জমিতে এ পেয়ারার চাষ করেছেন। তিনি জেলা ও উপজেলার কৃষি অফিসারের পরামর্শ অনুযায়ী ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে চাষ করায় পেয়ারা বেশ সুস্বাদু হচ্ছে। তার মতে, নিজের প্রচেষ্টাতেই তিনি সফল হয়েছেন। তি?নি বলেন, ২০১২ সালের শেষের দিকে থাই পেয়ারার চাষ শুরু করি। ভালো ফল পেতে নাটোর, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার বাগানও পরিদর্শন করেছি। ১০ মাস পরেই আমার পেয়ারা গাছে ফল এসেছে। দেখা গেছে, বাগানের প্রতিটি থাই পেয়ারার ওজন ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম। একেকটি গাছে কমপক্ষে ২৫ কেজি পেয়ারা পাওয়া যাচ্ছে। এই পেয়ারা খেতে খুবই সুস্বাদু। প্রতি কেজি পেয়ারার পাইকারি দর ৮০ থেকে ৯০ টাকা। খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। নুরুল হক জানান, তার বাগানে এখন ৪৪০০টি গাছ রয়েছে এবং প্রতিটিতেই ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি ব্যবহার করে বিষমুক্ত থাই পেয়ারার চাষ হচ্ছে।


আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর